বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর

সময় থাকতে জেলায় ধান সংগ্রহ অভিযান বন্ধ করে দিয়েছে খাদ্য বিভাগ,কৃষকরা হতাশ ও বিপাকে



সময় থাকতে জেলায় ধান সংগ্রহ অভিযান বন্ধ করে দিয়েছে খাদ্য বিভাগ,কৃষকরা হতাশ ও বিপাকে
সুন্দরগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি মোঃ শহিদুল ইসলামের পাঠানো ছবি

গাইবান্ধায় ধান চাল সংগ্রহ অভিযানের শেষ সময় নির্ধারিত রয়েছে আগামি ৩১ অগাস্ট পর্যন্ত। এখনো দুই সপ্তাহ সময় বাকী আছে। তারপরও জেলায় ধান সংগ্রহ অভিযান বন্ধ করে দিয়েছে খাদ্য বিভাগ। ফলে পাইকারদের কাছে কম দামে ধান বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন কৃষকরা। ধান বিক্রি নিয়ে তারা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।

বাংলাদেশ কৃষক সমিতি জেলা শাখার সভাপতি সাদেকুল ইসলাম বলেছেন, অনেক কৃষক পরিবারে বাড়তি আয়ের উপায় নেই। ধান চালের ওপর নির্ভরশীর হলেও তারা ধানের ন্যায্য মুল্য পাননা। কৃষকের গোলায় এখনো উদ্বৃত্ত ধান আছে। কিন্তু খাদ্য বিভাগ ধান কিনছে না। সরকার প্রতিমন ধান ১ হাজার ৪৪০ টাকা নির্ধারণ করলেও স্থানীয় বাজারে প্রতিমন মোটা ধান ৮৫০ টাকা ও চিকন ৯৫০ টাকা বেচাকেনা হচ্ছে। ধান ক্রয় বন্ধ করায় কৃষকরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। অথচ সরকার অতিরিক্ত ধান কেনার জন্য খাদ্য বিভাগকে নির্দেশ দেয়।তিনি নির্ধারিত সময় পর্যন্ত ধান কেনা অব্যাহত রাখার দাবি জানান।  

জেলা খাদ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, এবছর জেলায় বোরো ধান ক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় ৯ হাজার ৫৬৩ মেট্রিক টন। গত ৩ মে থেকে সরকারিভাবে ধান চাল কেনা শুরু হয়। চলার কথা আগামি ৩১ অগাস্ট পর্যন্ত। কিন্তু গাইবান্ধা খাদ্য বিভাগ গত ৯ আগস্ট থেকে ধান ক্রয় বন্ধ করে দেয়। ফলে কৃষকরা সরকারি গুদামে ধান বিক্রি করতে পারছেন না।

সুত্রটি আরও জানায়, জেলায় ১১টি খাদ্য গুদামে ধান ও চালের ধারণ ক্ষমতা ৪৩ হাজার মেট্রিক টন। বর্তমানে মজুদ আছে ৩৯ হাজার মেট্রিক টন।খাদ্য বিভাগের হিসেবেই গুদামে জায়গা ফাঁকা রয়েছে। এছাড়া কৃষি বিভাগের দেওয়া তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, এবছর জেলায় বোরো ধানের চাষ হয় ১ লাখ ২৯ হাজার ২০ হেক্টর। বোরো উৎপাদনের লক্ষমাত্রা ধরা হয় ৮ লাখ ৯৪ হাজার ১০৮ মেট্রিক টন। উৎপাদন হয় ৮ লাখ ৯২ হাজার ১৭৩ মেট্রিক টন। উদ্বৃত্ত থাকে শুধু বোরো ধান ৯৭ হাজার ৯২৩ মেট্রিক টন।

গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার হরিরামপুর গ্রামের কৃষক আবদুর রউফ বলেন, এবছর আমার জমি থেকে প্রায় ২০০ মন বোরো ধান উৎপাদন হয়। এরমধ্যে ৬০ মন খাওয়ার জন্য রাখা হয়েছে। বাকি ১৪০ মন ধান বিক্রি করে সংসারের দায়দানা মেটাবো। কিন্তু বর্তমান বাজারে প্রতিমন ধান ৮৫০ থেকে ৯৫০ টাকা বেচাকেনা হচ্ছে। এই দামে ধান বিক্রি করলে লোকসান গুনতে হবে। সরকারি গুদামে ধান বিক্রি করতে পারলে অনেকটা লাভ হতো। কিন্তু খাদ্য বিভাগ ধান কিনছে না। ফলে ধান বিক্রি নিয়ে বিপাকে পড়েছি।

 সদর উপজেলার চাপাদহ গ্রামের কৃষক হায়দার আলী (৬০) বলেন, ‘হামারঘরে সোংসারোত কারো চাকরি নাই, ব্যবসাও নাই। ধান চাউল বেচি দায়দেনা মিটান নাগে। কিনতো বাজারোত ধানের দাম কম। কমদামে ধান বেচলে নোকসান হবে। তাই ধান গোলায় জমা আকছি।পাইকাররা দাম কম কয়, সোরকারি গুদামোত ধান নিচ্চে না। একন কি করমো চিনতাত আচি’। তাদের মত অন্তত ২৫ জন কৃষক ধান বেচাকেনা নিয়ে তাদের কষ্টের কথা জানালেন।

সময় থাকতে ধান কেনা বন্ধ রাখা প্রসঙ্গে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক নিত্যানন্দ কুন্ডু মুঠোফোনে বলেন, লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় অতিরিক্ত ধান কেনা হয়েছে। তাই ধান ক্রয় বন্ধ রাখা হয়।

এই সংবাদটি আপনার কেমন লেগেছে?


খবরটি রেটিং দিন

গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)

ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

ফুটবল খেলা নিয়ে বিরোধ: সাভারে দুইজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম, হাসপাতালে ভর্তি।

ফুটবল খেলা নিয়ে বিরোধ: সাভারে দুইজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম, হাসপাতালে ভর্তি।

বিজয়ের আগস্ট শুরু: গণঅভ্যুত্থানের ৩২ জুলাইয়ে নিষিদ্ধ জামায়াত, চারিদিকে লাশের মিছিল

বিজয়ের আগস্ট শুরু: গণঅভ্যুত্থানের ৩২ জুলাইয়ে নিষিদ্ধ জামায়াত, চারিদিকে লাশের মিছিল

দলের পেছনে সর্বস্ব হারিয়ে নিঃস্ব কর্মী, টাকার অভাবে নিজ বাড়িতেই শয্যাগত হামিদুল।

দলের পেছনে সর্বস্ব হারিয়ে নিঃস্ব কর্মী, টাকার অভাবে নিজ বাড়িতেই শয্যাগত হামিদুল।

বাংলাদেশের মেরিটাইম সেক্টরে নতুন দিগন্ত: ‘অ্যাসোসিয়েশন অব মেরিটাইম প্রফেশনালস’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি গঠন!

বাংলাদেশের মেরিটাইম সেক্টরে নতুন দিগন্ত: ‘অ্যাসোসিয়েশন অব মেরিটাইম প্রফেশনালস’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি গঠন!

১৭ বছর রাজপথে থেকে আজ ষড়যন্ত্রের শিকার! অষ্টগ্রাম বিএনপির কান্ডারি সাঈদ আহমেদ।

১৭ বছর রাজপথে থেকে আজ ষড়যন্ত্রের শিকার! অষ্টগ্রাম বিএনপির কান্ডারি সাঈদ আহমেদ।

​গণভোট, কর্মসংস্থান ও সীমান্ত সুরক্ষার দাবিতে আজ কুড়িগ্রামে এনসিপির ‘জুলাই পদযাত্রা।

​গণভোট, কর্মসংস্থান ও সীমান্ত সুরক্ষার দাবিতে আজ কুড়িগ্রামে এনসিপির ‘জুলাই পদযাত্রা।

পাথালিয়া ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশের মাঝে রেইনকোট বিতরণ।

পাথালিয়া ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশের মাঝে রেইনকোট বিতরণ।

লালবাগে জিয়া সাইবার ফোর্সের সাংগঠনিক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত।

লালবাগে জিয়া সাইবার ফোর্সের সাংগঠনিক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত।

রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় গবেষণার ভূমিকা: বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট

রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় গবেষণার ভূমিকা: বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট

বাংলাদেশ সাংবাদিক উন্নয়ন সংস্থার সীতাকুণ্ড উপজেলা কমিটি ঘোষণা

বাংলাদেশ সাংবাদিক উন্নয়ন সংস্থার সীতাকুণ্ড উপজেলা কমিটি ঘোষণা

শরীয়তপুর জেলা প্রশাসনের ইলিশ রক্ষায় ধারাবাহিক অভিযান

শরীয়তপুর জেলা প্রশাসনের ইলিশ রক্ষায় ধারাবাহিক অভিযান

এআই ও বিকৃত কনটেন্ট নিয়ে মেহজাবীনের প্রশ্ন: আমরা কোথায় দাঁড়িয়ে?

এআই ও বিকৃত কনটেন্ট নিয়ে মেহজাবীনের প্রশ্ন: আমরা কোথায় দাঁড়িয়ে?

রাজধানীতে ডিএমপির অভিযানে ৭৫৯ জন গ্রেপ্তার

রাজধানীতে ডিএমপির অভিযানে ৭৫৯ জন গ্রেপ্তার

পাটগ্রামে অবৈধ ভুট্টাবীজ প্যাকেটজাতের অভিযোগ ও গোডাউন সিলগালা

পাটগ্রামে অবৈধ ভুট্টাবীজ প্যাকেটজাতের অভিযোগ ও গোডাউন সিলগালা

এইচপিভি টিকা: ৪ বছরের মেয়েদেরও সুপারিশ ডব্লিউএইচওর

এইচপিভি টিকা: ৪ বছরের মেয়েদেরও সুপারিশ ডব্লিউএইচওর

তিন বিভাগে বৃষ্টির পূর্বাভাস, রাতের তাপমাত্রা কমার আভাস

তিন বিভাগে বৃষ্টির পূর্বাভাস, রাতের তাপমাত্রা কমার আভাস

বার্নিকাটের গাড়িবহরে হামলা: আদালতে পুলিশ পরিদর্শকের সাক্ষ্য

বার্নিকাটের গাড়িবহরে হামলা: আদালতে পুলিশ পরিদর্শকের সাক্ষ্য

যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ল মূল্যস্ফীতি, ফের সুদের হার বৃদ্ধির শঙ্কা

যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ল মূল্যস্ফীতি, ফের সুদের হার বৃদ্ধির শঙ্কা

দুই বছর পর পর্দায় ফিরছে চঞ্চল চৌধুরীর আলোচিত সিরিজ ‘ফেউ’

দুই বছর পর পর্দায় ফিরছে চঞ্চল চৌধুরীর আলোচিত সিরিজ ‘ফেউ’

শাহজালালে শাড়ির নিচে মিলল ৪ কেজি কুশ, ভারতীয় নাগরিক গ্রেপ্তার

শাহজালালে শাড়ির নিচে মিলল ৪ কেজি কুশ, ভারতীয় নাগরিক গ্রেপ্তার

Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


সময় থাকতে জেলায় ধান সংগ্রহ অভিযান বন্ধ করে দিয়েছে খাদ্য বিভাগ,কৃষকরা হতাশ ও বিপাকে

প্রকাশের তারিখ : ১৭ আগস্ট ২০২৬

featured Image

গাইবান্ধায় ধান চাল সংগ্রহ অভিযানের শেষ সময় নির্ধারিত রয়েছে আগামি ৩১ অগাস্ট পর্যন্ত। এখনো দুই সপ্তাহ সময় বাকী আছে। তারপরও জেলায় ধান সংগ্রহ অভিযান বন্ধ করে দিয়েছে খাদ্য বিভাগ। ফলে পাইকারদের কাছে কম দামে ধান বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন কৃষকরা। ধান বিক্রি নিয়ে তারা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।

বাংলাদেশ কৃষক সমিতি জেলা শাখার সভাপতি সাদেকুল ইসলাম বলেছেন, অনেক কৃষক পরিবারে বাড়তি আয়ের উপায় নেই। ধান চালের ওপর নির্ভরশীর হলেও তারা ধানের ন্যায্য মুল্য পাননা। কৃষকের গোলায় এখনো উদ্বৃত্ত ধান আছে। কিন্তু খাদ্য বিভাগ ধান কিনছে না। সরকার প্রতিমন ধান ১ হাজার ৪৪০ টাকা নির্ধারণ করলেও স্থানীয় বাজারে প্রতিমন মোটা ধান ৮৫০ টাকা ও চিকন ৯৫০ টাকা বেচাকেনা হচ্ছে। ধান ক্রয় বন্ধ করায় কৃষকরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। অথচ সরকার অতিরিক্ত ধান কেনার জন্য খাদ্য বিভাগকে নির্দেশ দেয়।তিনি নির্ধারিত সময় পর্যন্ত ধান কেনা অব্যাহত রাখার দাবি জানান।  

জেলা খাদ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, এবছর জেলায় বোরো ধান ক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় ৯ হাজার ৫৬৩ মেট্রিক টন। গত ৩ মে থেকে সরকারিভাবে ধান চাল কেনা শুরু হয়। চলার কথা আগামি ৩১ অগাস্ট পর্যন্ত। কিন্তু গাইবান্ধা খাদ্য বিভাগ গত ৯ আগস্ট থেকে ধান ক্রয় বন্ধ করে দেয়। ফলে কৃষকরা সরকারি গুদামে ধান বিক্রি করতে পারছেন না।

সুত্রটি আরও জানায়, জেলায় ১১টি খাদ্য গুদামে ধান ও চালের ধারণ ক্ষমতা ৪৩ হাজার মেট্রিক টন। বর্তমানে মজুদ আছে ৩৯ হাজার মেট্রিক টন।খাদ্য বিভাগের হিসেবেই গুদামে জায়গা ফাঁকা রয়েছে। এছাড়া কৃষি বিভাগের দেওয়া তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, এবছর জেলায় বোরো ধানের চাষ হয় ১ লাখ ২৯ হাজার ২০ হেক্টর। বোরো উৎপাদনের লক্ষমাত্রা ধরা হয় ৮ লাখ ৯৪ হাজার ১০৮ মেট্রিক টন। উৎপাদন হয় ৮ লাখ ৯২ হাজার ১৭৩ মেট্রিক টন। উদ্বৃত্ত থাকে শুধু বোরো ধান ৯৭ হাজার ৯২৩ মেট্রিক টন।

গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার হরিরামপুর গ্রামের কৃষক আবদুর রউফ বলেন, এবছর আমার জমি থেকে প্রায় ২০০ মন বোরো ধান উৎপাদন হয়। এরমধ্যে ৬০ মন খাওয়ার জন্য রাখা হয়েছে। বাকি ১৪০ মন ধান বিক্রি করে সংসারের দায়দানা মেটাবো। কিন্তু বর্তমান বাজারে প্রতিমন ধান ৮৫০ থেকে ৯৫০ টাকা বেচাকেনা হচ্ছে। এই দামে ধান বিক্রি করলে লোকসান গুনতে হবে। সরকারি গুদামে ধান বিক্রি করতে পারলে অনেকটা লাভ হতো। কিন্তু খাদ্য বিভাগ ধান কিনছে না। ফলে ধান বিক্রি নিয়ে বিপাকে পড়েছি।

 সদর উপজেলার চাপাদহ গ্রামের কৃষক হায়দার আলী (৬০) বলেন, ‘হামারঘরে সোংসারোত কারো চাকরি নাই, ব্যবসাও নাই। ধান চাউল বেচি দায়দেনা মিটান নাগে। কিনতো বাজারোত ধানের দাম কম। কমদামে ধান বেচলে নোকসান হবে। তাই ধান গোলায় জমা আকছি।পাইকাররা দাম কম কয়, সোরকারি গুদামোত ধান নিচ্চে না। একন কি করমো চিনতাত আচি’। তাদের মত অন্তত ২৫ জন কৃষক ধান বেচাকেনা নিয়ে তাদের কষ্টের কথা জানালেন।

সময় থাকতে ধান কেনা বন্ধ রাখা প্রসঙ্গে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক নিত্যানন্দ কুন্ডু মুঠোফোনে বলেন, লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় অতিরিক্ত ধান কেনা হয়েছে। তাই ধান ক্রয় বন্ধ রাখা হয়।


Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ মেহেদী হাসান
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
সময় থাকতে জেলায় ধান সংগ্রহ অভিযান বন্ধ করে দিয়েছে খাদ্য বিভাগ,কৃষকরা হতাশ ও বিপাকে
0:00 / 0:00
1x
অ্যাপ ডাউনলোড করুন