বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর

স্বাস্থ্য

এইচপিভি টিকা: ৪ বছরের মেয়েদেরও সুপারিশ ডব্লিউএইচওর

চার থেকে আট বছর বয়সী মেয়েদের হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাসের (এইচপিভি) টিকা দেওয়ার সুপারিশ করেছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) টিকা বিশেষজ্ঞরা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার স্ট্র্যাটেজিক অ্যাডভাইজরি গ্রুপ অব এক্সপার্টস অন ইমিউনাইজেশনের প্রধান অ্যান্থনি স্কট সাংবাদিকদের জানান যে প্রায় ১৬৫টি দেশ এই ভ্যাকসিন চালু করেছে। অ্যান্থনি স্কট বলেন যে বৈশ্বিক এইচপিভি টিকাদানের হার ৩৩ শতাংশ, যা তাদের কাঙ্ক্ষিত ৯০ শতাংশের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম। দেশগুলো যদি মনে করে যে এর মাধ্যমে টিকার গ্রহণযোগ্যতা ও কভারেজ বাড়বে, তবে তারা চার থেকে আট বছর বয়সী মেয়েদের মধ্যেও নিয়মিত টিকাদান চালুর বিষয়টি বিবেচনা করতে পারে। ডব্লিউএইচওর টিকা বিভাগের প্রধান কেট ও’ব্রায়েন জানান যে ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ ৯ কোটি ৫০ লাখের বেশি মেয়ে এইচপিভি টিকা পেয়েছে। তথ্য পর্যালোচনার পর সেজ সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে ৯ থেকে ১৪ বছর বয়সী মেয়েদের জন্য এক ডোজের ভ্যাকসিন সিডিউলই বৈশ্বিক লক্ষ্য অর্জনের সবচেয়ে কার্যকর উপায়। অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে এইচপিভি টিকাদান কর্মসূচি সম্প্রসারণ করা যেতে পারে যার মধ্যে রয়েছে ২৫ বছর বয়স পর্যন্ত নারীদের নির্ধারিত সময়ে টিকা নিতে না পারলে পরে টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা। এরপর ৩০ বছর বয়স পর্যন্ত নারীদের টিকাদান এবং ৯ থেকে ১৪ বছর বয়সী ছেলেদের নিয়মিত টিকা দেওয়ার পাশাপাশি ২০ বছর বয়স পর্যন্ত পুরুষদের জন্যও বাদ পড়া টিকা গ্রহণকারীদের টিকাদানের সুপারিশ করা হয়েছে। বিশ্বের ২৬টি দেশে নারীদের ক্যানসারজনিত মৃত্যুর প্রধান কারণ জরায়ুমুখের ক্যানসার এবং এসব দেশের বেশির ভাগ সাব-সাহারা আফ্রিকায় অবস্থিত। এ ছাড়া দক্ষিণ ও মধ্য আমেরিকা, মেলানেশিয়া এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কিছু অংশেও এ রোগ নারীদের ক্যানসারজনিত মৃত্যুর প্রধান কারণ বলে ডব্লিউএইচওর তথ্যে জানানো হয়েছে।

এইচপিভি টিকা: ৪ বছরের মেয়েদেরও সুপারিশ ডব্লিউএইচওর
অ্যাপ ডাউনলোড করুন