বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর

গাইবান্ধায় আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে ডেঙ্গু জ্বর ও হামের উপসর্গ নিয়ে রোগীর সংখ্যা



গাইবান্ধায় আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে ডেঙ্গু জ্বর ও হামের উপসর্গ নিয়ে রোগীর সংখ্যা
গাইবান্ধা সংবাদদাতা শহীদুল ইসলাম শহীদ এর পাঠানো ছবি

গাইবান্ধায় আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে ডেঙ্গু জ্বর ও হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা। এরই মধ্যে গত বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ডেঙ্গুতে এক শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনায় উদ্বেগ ছড়িয়েছে জেলাজুড়ে। হাসপাতালগুলোতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাপনা, চিকিৎসাসেবা ও নজরদারির নানা ঘাটতির ফলে আক্রান্তদের পাশাপাশি স্বজনদের মধ্যেও বাড়ছে আতঙ্ক।

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে নিহত ১৯ বছর বয়সী ওই শিক্ষার্থী গাইবান্ধা সরকারি মহিলা কলেজের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রত্যাশী ছিলেন।

হাসপাতাল ও নিহতের পরিবার সূত্র জানায়, গত ১৫ আগস্ট পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি প্রস্তুতির কোচিং করতে ঢাকায় যান ওই শিক্ষার্থী। সেখানে গত শনিবার জ্বর পরীক্ষা করালে ডেঙ্গু পজিটিভ ধরা পড়ে। পরে বুধবার বিকেলে তাকে গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। কিন্তু শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে বিকেল ৫টার দিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পথে মিঠাপুকুর এলাকায় তার মৃত্যু হয়।

মেয়ের নাম-পরিচয় প্রকাশ না করার অনুরোধ জানিয়ে নিহতের বাবা আব্দুল বলেন, সবকিছুর ভুলে মেয়েটার মৃত্যু হলো। ঢাকায় ডেঙ্গু পজিটিভ হওয়ার পর হাসপাতালে ভর্তি না করে সাধারণ চিকিৎসায় ওষুধ খাইয়েছি। ভেবেছিলাম বাড়িতে নিয়ে এসে যত্ন ও চিকিৎসা করাবো। কিন্তু সে সুযোগই দিল না।

তবে শুধু ডেঙ্গু নয়, হামের উপসর্গ নিয়েও প্রতিদিন বাড়ছে রোগীর চাপ। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের সর্বশেষ ১৭ সেপ্টেম্বরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সন্দেহভাজন হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৪৯১ জন। 

এরমধ্যে ৪৬৭ জন সন্দেহভাজন হাম রোগীর সিরাম (স্যাম্পল) সংগ্রহ করে ঢাকায় পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। সেখানে ২৯ জনের হাম পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে একজনের।

অপরদিকে একই সময়ে জেলার সাত উপজেলায় ডেঙ্গু শনাক্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়া ১৭১ জন রোগীর মধ্যে ছাড়পত্র নিয়েছেন ১৫২ জন।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের এসব পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, জেলার সন্দেহভাজন হামের ৪৯১ জন রোগীর মধ্যে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালেই ভর্তি থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন ৩৭৩ জন। একই সময়ে ডেঙ্গু রোগীর চিকিৎসা নিয়েছেন ১২১ জন। যার মধ্যে গত বুধবার ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মারা যান ওই শিক্ষার্থী।

হাসপাতালের আন্তঃবিভাগের দায়িত্বে থাকা সংশ্লিষ্টরা জানান, নিচতলার ৪৯ থেকে ৫৫ পর্যন্ত (৫০ ও ৫৩ বাদে) পাঁচটি বেড ডেঙ্গু রোগীদের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া দোতলার মহিলা ওয়ার্ডের ১-৭ নম্বর বেডগুলো হাম কর্নার হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে। হামে আক্রান্ত শিশুদের জন্য শিশু ওয়ার্ড আলাদা রাখা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ও বিকেলে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, হাম ও সন্দেহভাজন হামে আক্রান্ত শিশুদের জন্য আলাদা কক্ষ নির্ধারিত থাকলেও বয়স্কদের জন্য আলাদা কোনো ওয়ার্ড বা বিভাগ নেই। ওয়ার্ডগুলোতে ডেঙ্গু, হাম ও সাধারণ রোগী মিলেমিশে একাকার। দোতলার মহিলা ওয়ার্ডের ১-৭ নম্বর বেড হাম কর্নার হিসেবে ব্যবহার করা হলেও সেখানে রয়েছে সাধারণ রোগী। কয়টি বেড হামের রোগীদের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে, তাও সহজে বোঝার উপায় নেই। হামের জন্য নির্ধারিত বেডে কোনো রোগী না থাকলেও বিভাগের ১৪ নম্বর সাধারণ রোগীর বেডে পাওয়া যায় লাবনী (২০) নামের একজন হামের রোগী। গত বুধবার এই ১৪ নম্বর বেডই ছিল ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হওয়া শিক্ষার্থী।

অন্যদিকে নিচতলার ৪৯ থেকে ৫৫ পর্যন্ত (৫০ ও ৫৩ বাদে) পাঁচটি বেড ডেঙ্গু রোগীদের জন্য নির্ধারিত থাকলেও সেখানে রোগী পাওয়া যায় আটজন। যাদের বেশির ভাগই ঢাকায় আক্রান্ত। তাদের মধ্যে ৫৫ নম্বর বেডের ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী মশিউর ছাড়া কারও বেডেই মশারি টানানো ছিল না।

পুরুষ ওয়ার্ডের ৫০ নম্বর বেডে থাকা শহিদুল ইসলামের (৩২) বেডেও মশারি দেখা যায়নি। জানতে চাইলে শহিদুল বলেন, গত শুক্রবার থেকে জ্বর। স্থানীয়ভাবে জ্বরের ওষুধ খেয়ে জ্বর ভালো না হওয়ায় বুধবার পরীক্ষায় ডেঙ্গু ধরা পড়ে। ওইদিন সন্ধ্যায় হাসপাতালে ভর্তি হই। কিন্তু আমাদের মশারি দেওয়া হয়নি। চাইতে গিয়েছিলাম, কিন্তু কিনতে বলেছে।

এই ওয়ার্ডের ৪৫ নম্বর বেডে থাকা হার্নিয়া অপারেশনের রোগী বিপুল বলেন, আমরা এখানে চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছি। ডেঙ্গু রোগীদের কারও বেডেই মশারি থাকে না। ডেঙ্গু, হাম আর সাধারণ রোগী একাকার। বিপুল গত ১৫ দিন ধরে একই বেডে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

শাহালম নামে এক রোগীর স্বজন বলেন, এখানে চরম ঝুঁকি রয়েছে। এখানকার রোগী বা রোগীর স্বজন কেউই নিরাপদ নয়। হাম-ডেঙ্গু সব রোগীকে একসঙ্গে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

অপরদিকে শিশু ওয়ার্ডে হামে সন্দেহভাজন শিশু আব্দুর রহিমের মা হালিমা বেগম বলেন, ৫/৬ দিন আগে বাবুর শরীরে এলার্জির মত বের হয়েছিলো। পরে হোমিও ওষুধ খাইয়েছি। কিন্তু মঙ্গলবারে সারা শরীরে ব্যাপকভাবে বের হয়। সেদিনই ১২টার দিকে ভর্তি করিয়েছি।

দোতলার মহিলা ওয়ার্ডের সিনিয়র স্টাফ নার্স আঞ্জুয়ারা খাতুন বলেন, রোগীর অনেক চাপ, আসলে বাস্তবতার সঙ্গে আমরা কুলাতে পারছি না। রোগী এলে যে বেড ফাঁকা থাকে, সেটিতেই উঠে যাচ্ছে। আমরা চেষ্টা করছি নির্দিষ্ট বেডে দেওয়ার।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অবশ্যই রোগীসহ আমরা সবাই ঝুঁকিতে রয়েছি। কেননা হাম একটি ছোঁয়াচে রোগ। এছাড়াও ডেঙ্গুও বিপজ্জনকভাবে ছড়াচ্ছে। একই কথা বলেন নার্স সাদিয়াও।

হাসপাতালের ওপর সিনিয়র স্টাফ নার্স মাহিনুর জান্নাত মুন্নি বলেন, আমরা মশারি দিতে চাই। রোগীরা গরম এবং ফ্যানের বাতাস কম লাগার অজুহাতে নিতে চান না। যদিও ডেঙ্গু রোগীর ক্ষেত্রে মশারি টানানো বাধ্যতামূলক। কিন্তু সেগুলো বাস্তবায়নে আমাদের ঝুঁকি রয়েছে। 

সম্প্রতি হাসপাতালে রোগীর চাপ যে বেড়েছে। তার চিত্র পাওয়া যায় হাসপাতালের মাসভিত্তিক পরিসংখ্যানেও। জেলা সদর হাসপাতালে ডেঙ্গু ও হামের চিকিৎসা পরিসংখ্যানে দেখা যায়, বছরের প্রথম মাস জানুয়ারিতে ৪ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসা নেন, ফেব্রুয়ারিতে ১ জন, মার্চে ৩ জন, এপ্রিলে এবং মে মাসে একজন করে এবং জুনে ৫ জন রোগী চিকিৎসা নেন। কিন্তু জুলাই-আগস্ট-সেপ্টেম্বরে তা কয়েক গুণ বৃদ্ধি পায়। 

হাসপাতালের হিসাব অনুসারে- জুলাইয়ে ১৫ জন চিকিৎসা নিলেও আগস্টে তা দাঁড়ায় ৫০-এ। আর চলতি মাসের ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জেলার এই হাসপাতালেই চিকিৎসা নিয়েছেন ৪১ জন ডেঙ্গু রোগী।

অন্যদিকে এখানে চলতি বছরে মার্চে ৩ জন রোগী হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হন। কিন্তু এপ্রিলে চিকিৎসা নেন ৩৪ জন, মে মাসে ৬৭, জুনে ৮৯, জুলাইয়ে কিছুটা কমে ৭৩ হলেও আগস্টে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৭৬-এ। সর্বশেষ ১ সেপ্টেম্বর থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৪১ জন হাম সন্দেহভাজন রোগী চিকিৎসা নেন।

এছাড়াও বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় গাইবান্ধা জেলায় চিকিৎসাধীন ডেঙ্গু রোগী ১৯ জন এবং সন্দেহভাজন হাম রোগী পাঁচজন।

এর মধ্যে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে সন্দেহভাজন হামে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নেন নতুন ৫ জনসহ ১৪ জন। এর মধ্যে শূন্য থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুর সংখ্যা ৮টি। অপরদিকে একই সময়ে ডেঙ্গু সন্দেহভাজন ভর্তি রোগীর সংখ্যা ৮ জন। যারা সবাই প্রাপ্তবয়স্ক।

ফুলছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জুনিয়র কনসালটেন্ট পদের বিপরীতে থাকা অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ডা. তানভীর রহমান কল্লোল বলেন, হাম একটি ভাইরাসজনিত ছোঁয়াচে রোগ। হাঁচি-কাশি ও বায়ুর মাধ্যমে এ রোগ ছড়ায়। 

তিনি ডেঙ্গু প্রসঙ্গে বলেন, সারা দেশেই ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে। ডেঙ্গু সাধারণত বর্ষাকালে বেশি ছড়ায়। উভয় ধরনের রোগীদের ক্ষেত্রে অবশ্যই আলাদা রেখে চিকিৎসা করানো উচিত। ডেঙ্গুর ক্ষেত্রে রোগীকে অবশ্যই মশারির ভেতরে রাখতে হবে।

গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) আসিফ রহমার বলেন, শয্যা সংকটের কারণে রোগীদের জন্য আলাদা আলাদা বিভাগ করা যায়নি। তবে সাধারণ রোগীদের বিভাগে আলাদা কর্নার রয়েছে।

মশারি না থাকার বিষয়ে তিনি বলেন, এমনটা হওয়ার কথা নয়, বিষয়টি দেখছি।

গাইবান্ধার সিভিল সার্জন ডা. রফিকুজ্জামান বলেন, এসব রোগে ঝুঁকি আমাদের সবারই। হাম-ডেঙ্গু রোগীদের আলাদা বিভাগে রাখতে অধিদপ্তরের নির্দেশনা রয়েছে।

সব অভিযোগ অস্বীকার করে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. শহীদুল্লাহ বলেন,হামের জন্য আইসোলেশন আর ডেঙ্গুর জন্য নির্দিষ্ট বেড করা আছে। পর্যাপ্ত মশারি আছে, দেওয়া হয় কিন্তু রোগীরা ব্যবহার করে না। এসব বাস্তবায়নে স্টাফদের নিরাপত্তার জন্য বারবার আনসার চেয়েও পাচ্ছেন না বলে জানান তিনি।

এই সংবাদটি আপনার কেমন লেগেছে?


খবরটি রেটিং দিন

গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)

ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

ফুটবল খেলা নিয়ে বিরোধ: সাভারে দুইজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম, হাসপাতালে ভর্তি।

ফুটবল খেলা নিয়ে বিরোধ: সাভারে দুইজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম, হাসপাতালে ভর্তি।

বিজয়ের আগস্ট শুরু: গণঅভ্যুত্থানের ৩২ জুলাইয়ে নিষিদ্ধ জামায়াত, চারিদিকে লাশের মিছিল

বিজয়ের আগস্ট শুরু: গণঅভ্যুত্থানের ৩২ জুলাইয়ে নিষিদ্ধ জামায়াত, চারিদিকে লাশের মিছিল

দলের পেছনে সর্বস্ব হারিয়ে নিঃস্ব কর্মী, টাকার অভাবে নিজ বাড়িতেই শয্যাগত হামিদুল।

দলের পেছনে সর্বস্ব হারিয়ে নিঃস্ব কর্মী, টাকার অভাবে নিজ বাড়িতেই শয্যাগত হামিদুল।

বাংলাদেশের মেরিটাইম সেক্টরে নতুন দিগন্ত: ‘অ্যাসোসিয়েশন অব মেরিটাইম প্রফেশনালস’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি গঠন!

বাংলাদেশের মেরিটাইম সেক্টরে নতুন দিগন্ত: ‘অ্যাসোসিয়েশন অব মেরিটাইম প্রফেশনালস’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি গঠন!

১৭ বছর রাজপথে থেকে আজ ষড়যন্ত্রের শিকার! অষ্টগ্রাম বিএনপির কান্ডারি সাঈদ আহমেদ।

১৭ বছর রাজপথে থেকে আজ ষড়যন্ত্রের শিকার! অষ্টগ্রাম বিএনপির কান্ডারি সাঈদ আহমেদ।

​গণভোট, কর্মসংস্থান ও সীমান্ত সুরক্ষার দাবিতে আজ কুড়িগ্রামে এনসিপির ‘জুলাই পদযাত্রা।

​গণভোট, কর্মসংস্থান ও সীমান্ত সুরক্ষার দাবিতে আজ কুড়িগ্রামে এনসিপির ‘জুলাই পদযাত্রা।

পাথালিয়া ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশের মাঝে রেইনকোট বিতরণ।

পাথালিয়া ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশের মাঝে রেইনকোট বিতরণ।

লালবাগে জিয়া সাইবার ফোর্সের সাংগঠনিক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত।

লালবাগে জিয়া সাইবার ফোর্সের সাংগঠনিক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত।

রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় গবেষণার ভূমিকা: বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট

রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় গবেষণার ভূমিকা: বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট

বাংলাদেশ সাংবাদিক উন্নয়ন সংস্থার সীতাকুণ্ড উপজেলা কমিটি ঘোষণা

বাংলাদেশ সাংবাদিক উন্নয়ন সংস্থার সীতাকুণ্ড উপজেলা কমিটি ঘোষণা

শরীয়তপুর জেলা প্রশাসনের ইলিশ রক্ষায় ধারাবাহিক অভিযান

শরীয়তপুর জেলা প্রশাসনের ইলিশ রক্ষায় ধারাবাহিক অভিযান

এআই ও বিকৃত কনটেন্ট নিয়ে মেহজাবীনের প্রশ্ন: আমরা কোথায় দাঁড়িয়ে?

এআই ও বিকৃত কনটেন্ট নিয়ে মেহজাবীনের প্রশ্ন: আমরা কোথায় দাঁড়িয়ে?

রাজধানীতে ডিএমপির অভিযানে ৭৫৯ জন গ্রেপ্তার

রাজধানীতে ডিএমপির অভিযানে ৭৫৯ জন গ্রেপ্তার

পাটগ্রামে অবৈধ ভুট্টাবীজ প্যাকেটজাতের অভিযোগ ও গোডাউন সিলগালা

পাটগ্রামে অবৈধ ভুট্টাবীজ প্যাকেটজাতের অভিযোগ ও গোডাউন সিলগালা

এইচপিভি টিকা: ৪ বছরের মেয়েদেরও সুপারিশ ডব্লিউএইচওর

এইচপিভি টিকা: ৪ বছরের মেয়েদেরও সুপারিশ ডব্লিউএইচওর

তিন বিভাগে বৃষ্টির পূর্বাভাস, রাতের তাপমাত্রা কমার আভাস

তিন বিভাগে বৃষ্টির পূর্বাভাস, রাতের তাপমাত্রা কমার আভাস

বার্নিকাটের গাড়িবহরে হামলা: আদালতে পুলিশ পরিদর্শকের সাক্ষ্য

বার্নিকাটের গাড়িবহরে হামলা: আদালতে পুলিশ পরিদর্শকের সাক্ষ্য

যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ল মূল্যস্ফীতি, ফের সুদের হার বৃদ্ধির শঙ্কা

যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ল মূল্যস্ফীতি, ফের সুদের হার বৃদ্ধির শঙ্কা

দুই বছর পর পর্দায় ফিরছে চঞ্চল চৌধুরীর আলোচিত সিরিজ ‘ফেউ’

দুই বছর পর পর্দায় ফিরছে চঞ্চল চৌধুরীর আলোচিত সিরিজ ‘ফেউ’

শাহজালালে শাড়ির নিচে মিলল ৪ কেজি কুশ, ভারতীয় নাগরিক গ্রেপ্তার

শাহজালালে শাড়ির নিচে মিলল ৪ কেজি কুশ, ভারতীয় নাগরিক গ্রেপ্তার

Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


গাইবান্ধায় আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে ডেঙ্গু জ্বর ও হামের উপসর্গ নিয়ে রোগীর সংখ্যা

প্রকাশের তারিখ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

গাইবান্ধায় আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে ডেঙ্গু জ্বর ও হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা। এরই মধ্যে গত বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ডেঙ্গুতে এক শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনায় উদ্বেগ ছড়িয়েছে জেলাজুড়ে। হাসপাতালগুলোতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাপনা, চিকিৎসাসেবা ও নজরদারির নানা ঘাটতির ফলে আক্রান্তদের পাশাপাশি স্বজনদের মধ্যেও বাড়ছে আতঙ্ক।

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে নিহত ১৯ বছর বয়সী ওই শিক্ষার্থী গাইবান্ধা সরকারি মহিলা কলেজের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রত্যাশী ছিলেন।

হাসপাতাল ও নিহতের পরিবার সূত্র জানায়, গত ১৫ আগস্ট পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি প্রস্তুতির কোচিং করতে ঢাকায় যান ওই শিক্ষার্থী। সেখানে গত শনিবার জ্বর পরীক্ষা করালে ডেঙ্গু পজিটিভ ধরা পড়ে। পরে বুধবার বিকেলে তাকে গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। কিন্তু শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে বিকেল ৫টার দিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পথে মিঠাপুকুর এলাকায় তার মৃত্যু হয়।

মেয়ের নাম-পরিচয় প্রকাশ না করার অনুরোধ জানিয়ে নিহতের বাবা আব্দুল বলেন, সবকিছুর ভুলে মেয়েটার মৃত্যু হলো। ঢাকায় ডেঙ্গু পজিটিভ হওয়ার পর হাসপাতালে ভর্তি না করে সাধারণ চিকিৎসায় ওষুধ খাইয়েছি। ভেবেছিলাম বাড়িতে নিয়ে এসে যত্ন ও চিকিৎসা করাবো। কিন্তু সে সুযোগই দিল না।

তবে শুধু ডেঙ্গু নয়, হামের উপসর্গ নিয়েও প্রতিদিন বাড়ছে রোগীর চাপ। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের সর্বশেষ ১৭ সেপ্টেম্বরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সন্দেহভাজন হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৪৯১ জন। 

এরমধ্যে ৪৬৭ জন সন্দেহভাজন হাম রোগীর সিরাম (স্যাম্পল) সংগ্রহ করে ঢাকায় পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। সেখানে ২৯ জনের হাম পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে একজনের।

অপরদিকে একই সময়ে জেলার সাত উপজেলায় ডেঙ্গু শনাক্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়া ১৭১ জন রোগীর মধ্যে ছাড়পত্র নিয়েছেন ১৫২ জন।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের এসব পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, জেলার সন্দেহভাজন হামের ৪৯১ জন রোগীর মধ্যে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালেই ভর্তি থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন ৩৭৩ জন। একই সময়ে ডেঙ্গু রোগীর চিকিৎসা নিয়েছেন ১২১ জন। যার মধ্যে গত বুধবার ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মারা যান ওই শিক্ষার্থী।

হাসপাতালের আন্তঃবিভাগের দায়িত্বে থাকা সংশ্লিষ্টরা জানান, নিচতলার ৪৯ থেকে ৫৫ পর্যন্ত (৫০ ও ৫৩ বাদে) পাঁচটি বেড ডেঙ্গু রোগীদের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া দোতলার মহিলা ওয়ার্ডের ১-৭ নম্বর বেডগুলো হাম কর্নার হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে। হামে আক্রান্ত শিশুদের জন্য শিশু ওয়ার্ড আলাদা রাখা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ও বিকেলে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, হাম ও সন্দেহভাজন হামে আক্রান্ত শিশুদের জন্য আলাদা কক্ষ নির্ধারিত থাকলেও বয়স্কদের জন্য আলাদা কোনো ওয়ার্ড বা বিভাগ নেই। ওয়ার্ডগুলোতে ডেঙ্গু, হাম ও সাধারণ রোগী মিলেমিশে একাকার। দোতলার মহিলা ওয়ার্ডের ১-৭ নম্বর বেড হাম কর্নার হিসেবে ব্যবহার করা হলেও সেখানে রয়েছে সাধারণ রোগী। কয়টি বেড হামের রোগীদের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে, তাও সহজে বোঝার উপায় নেই। হামের জন্য নির্ধারিত বেডে কোনো রোগী না থাকলেও বিভাগের ১৪ নম্বর সাধারণ রোগীর বেডে পাওয়া যায় লাবনী (২০) নামের একজন হামের রোগী। গত বুধবার এই ১৪ নম্বর বেডই ছিল ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হওয়া শিক্ষার্থী।

অন্যদিকে নিচতলার ৪৯ থেকে ৫৫ পর্যন্ত (৫০ ও ৫৩ বাদে) পাঁচটি বেড ডেঙ্গু রোগীদের জন্য নির্ধারিত থাকলেও সেখানে রোগী পাওয়া যায় আটজন। যাদের বেশির ভাগই ঢাকায় আক্রান্ত। তাদের মধ্যে ৫৫ নম্বর বেডের ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী মশিউর ছাড়া কারও বেডেই মশারি টানানো ছিল না।

পুরুষ ওয়ার্ডের ৫০ নম্বর বেডে থাকা শহিদুল ইসলামের (৩২) বেডেও মশারি দেখা যায়নি। জানতে চাইলে শহিদুল বলেন, গত শুক্রবার থেকে জ্বর। স্থানীয়ভাবে জ্বরের ওষুধ খেয়ে জ্বর ভালো না হওয়ায় বুধবার পরীক্ষায় ডেঙ্গু ধরা পড়ে। ওইদিন সন্ধ্যায় হাসপাতালে ভর্তি হই। কিন্তু আমাদের মশারি দেওয়া হয়নি। চাইতে গিয়েছিলাম, কিন্তু কিনতে বলেছে।

এই ওয়ার্ডের ৪৫ নম্বর বেডে থাকা হার্নিয়া অপারেশনের রোগী বিপুল বলেন, আমরা এখানে চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছি। ডেঙ্গু রোগীদের কারও বেডেই মশারি থাকে না। ডেঙ্গু, হাম আর সাধারণ রোগী একাকার। বিপুল গত ১৫ দিন ধরে একই বেডে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

শাহালম নামে এক রোগীর স্বজন বলেন, এখানে চরম ঝুঁকি রয়েছে। এখানকার রোগী বা রোগীর স্বজন কেউই নিরাপদ নয়। হাম-ডেঙ্গু সব রোগীকে একসঙ্গে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

অপরদিকে শিশু ওয়ার্ডে হামে সন্দেহভাজন শিশু আব্দুর রহিমের মা হালিমা বেগম বলেন, ৫/৬ দিন আগে বাবুর শরীরে এলার্জির মত বের হয়েছিলো। পরে হোমিও ওষুধ খাইয়েছি। কিন্তু মঙ্গলবারে সারা শরীরে ব্যাপকভাবে বের হয়। সেদিনই ১২টার দিকে ভর্তি করিয়েছি।

দোতলার মহিলা ওয়ার্ডের সিনিয়র স্টাফ নার্স আঞ্জুয়ারা খাতুন বলেন, রোগীর অনেক চাপ, আসলে বাস্তবতার সঙ্গে আমরা কুলাতে পারছি না। রোগী এলে যে বেড ফাঁকা থাকে, সেটিতেই উঠে যাচ্ছে। আমরা চেষ্টা করছি নির্দিষ্ট বেডে দেওয়ার।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অবশ্যই রোগীসহ আমরা সবাই ঝুঁকিতে রয়েছি। কেননা হাম একটি ছোঁয়াচে রোগ। এছাড়াও ডেঙ্গুও বিপজ্জনকভাবে ছড়াচ্ছে। একই কথা বলেন নার্স সাদিয়াও।

হাসপাতালের ওপর সিনিয়র স্টাফ নার্স মাহিনুর জান্নাত মুন্নি বলেন, আমরা মশারি দিতে চাই। রোগীরা গরম এবং ফ্যানের বাতাস কম লাগার অজুহাতে নিতে চান না। যদিও ডেঙ্গু রোগীর ক্ষেত্রে মশারি টানানো বাধ্যতামূলক। কিন্তু সেগুলো বাস্তবায়নে আমাদের ঝুঁকি রয়েছে। 

সম্প্রতি হাসপাতালে রোগীর চাপ যে বেড়েছে। তার চিত্র পাওয়া যায় হাসপাতালের মাসভিত্তিক পরিসংখ্যানেও। জেলা সদর হাসপাতালে ডেঙ্গু ও হামের চিকিৎসা পরিসংখ্যানে দেখা যায়, বছরের প্রথম মাস জানুয়ারিতে ৪ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসা নেন, ফেব্রুয়ারিতে ১ জন, মার্চে ৩ জন, এপ্রিলে এবং মে মাসে একজন করে এবং জুনে ৫ জন রোগী চিকিৎসা নেন। কিন্তু জুলাই-আগস্ট-সেপ্টেম্বরে তা কয়েক গুণ বৃদ্ধি পায়। 

হাসপাতালের হিসাব অনুসারে- জুলাইয়ে ১৫ জন চিকিৎসা নিলেও আগস্টে তা দাঁড়ায় ৫০-এ। আর চলতি মাসের ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জেলার এই হাসপাতালেই চিকিৎসা নিয়েছেন ৪১ জন ডেঙ্গু রোগী।

অন্যদিকে এখানে চলতি বছরে মার্চে ৩ জন রোগী হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হন। কিন্তু এপ্রিলে চিকিৎসা নেন ৩৪ জন, মে মাসে ৬৭, জুনে ৮৯, জুলাইয়ে কিছুটা কমে ৭৩ হলেও আগস্টে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৭৬-এ। সর্বশেষ ১ সেপ্টেম্বর থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৪১ জন হাম সন্দেহভাজন রোগী চিকিৎসা নেন।

এছাড়াও বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় গাইবান্ধা জেলায় চিকিৎসাধীন ডেঙ্গু রোগী ১৯ জন এবং সন্দেহভাজন হাম রোগী পাঁচজন।

এর মধ্যে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে সন্দেহভাজন হামে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নেন নতুন ৫ জনসহ ১৪ জন। এর মধ্যে শূন্য থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুর সংখ্যা ৮টি। অপরদিকে একই সময়ে ডেঙ্গু সন্দেহভাজন ভর্তি রোগীর সংখ্যা ৮ জন। যারা সবাই প্রাপ্তবয়স্ক।

ফুলছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জুনিয়র কনসালটেন্ট পদের বিপরীতে থাকা অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ডা. তানভীর রহমান কল্লোল বলেন, হাম একটি ভাইরাসজনিত ছোঁয়াচে রোগ। হাঁচি-কাশি ও বায়ুর মাধ্যমে এ রোগ ছড়ায়। 

তিনি ডেঙ্গু প্রসঙ্গে বলেন, সারা দেশেই ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে। ডেঙ্গু সাধারণত বর্ষাকালে বেশি ছড়ায়। উভয় ধরনের রোগীদের ক্ষেত্রে অবশ্যই আলাদা রেখে চিকিৎসা করানো উচিত। ডেঙ্গুর ক্ষেত্রে রোগীকে অবশ্যই মশারির ভেতরে রাখতে হবে।

গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) আসিফ রহমার বলেন, শয্যা সংকটের কারণে রোগীদের জন্য আলাদা আলাদা বিভাগ করা যায়নি। তবে সাধারণ রোগীদের বিভাগে আলাদা কর্নার রয়েছে।

মশারি না থাকার বিষয়ে তিনি বলেন, এমনটা হওয়ার কথা নয়, বিষয়টি দেখছি।

গাইবান্ধার সিভিল সার্জন ডা. রফিকুজ্জামান বলেন, এসব রোগে ঝুঁকি আমাদের সবারই। হাম-ডেঙ্গু রোগীদের আলাদা বিভাগে রাখতে অধিদপ্তরের নির্দেশনা রয়েছে।

সব অভিযোগ অস্বীকার করে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. শহীদুল্লাহ বলেন,হামের জন্য আইসোলেশন আর ডেঙ্গুর জন্য নির্দিষ্ট বেড করা আছে। পর্যাপ্ত মশারি আছে, দেওয়া হয় কিন্তু রোগীরা ব্যবহার করে না। এসব বাস্তবায়নে স্টাফদের নিরাপত্তার জন্য বারবার আনসার চেয়েও পাচ্ছেন না বলে জানান তিনি।


Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ মেহেদী হাসান
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
গাইবান্ধায় আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে ডেঙ্গু জ্বর ও হামের উপসর্গ নিয়ে রোগীর সংখ্যা
0:00 / 0:00
1x
অ্যাপ ডাউনলোড করুন