বন্ধ করুন
যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ল মূল্যস্ফীতি, ফের সুদের হার বৃদ্ধির শঙ্কা
ডিজাইন:
100%
ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ
দৈনিক পত্রিকা


দৈনিক পত্রিকা ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ

ইপেপার সংস্করণ ১৫ অক্টোবর ২০২৬ দৈনিক পত্রিকা

Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ


যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ল মূল্যস্ফীতি, ফের সুদের হার বৃদ্ধির শঙ্কা


মহাকল্লোল নিউজ ডেস্ক
মহাকল্লোল নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১৫ অক্টোবর ২০২৬ প্রিন্ট:
যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ল মূল্যস্ফীতি, ফের সুদের হার বৃদ্ধির শঙ্কা
যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ল মূল্যস্ফীতি, ফের সুদের হার বৃদ্ধির শঙ্কা
Featured Image

যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে সেপ্টেম্বরের ভোক্তা মূল্যসূচক প্রতিবেদনে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির তথ্য পাওয়া গেছে। দেশটির শ্রম মন্ত্রণালয়ের ব্যুরো অব লেবার স্ট্যাটিসটিকসের (বিএলএস) বুধবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা যায়, বার্ষিক মূল্যস্ফীতি আগস্টের ৩ দশমিক ৪ শতাংশ থেকে বেড়ে ৩ দশমিক ৭ শতাংশে পৌঁছেছে। মাসিক ভিত্তিতে পণ্যের দাম বেড়েছে শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ।

মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধিতে প্রধান ভূমিকা রেখেছে জ্বালানি তেলের দাম। যুক্তরাষ্ট্র-ইরান এবং রাশিয়া-ইউক্রেন উত্তেজনার প্রভাবে বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম বেড়েছে, যেখানে সেপ্টেম্বরে পেট্রোলের দাম বেড়েছে ৯ দশমিক ১ শতাংশ। এক বছরের ব্যবধানে এ জ্বালানির দাম ৩৪ দশমিক ২ শতাংশ বেড়েছে। দ্য সেঞ্চুরি ফাউন্ডেশনের প্রধান অর্থনীতিবিদ কাইল মুর জানান, ইরানের সাথে যুদ্ধ বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থাকে বিঘ্নিত করে খাদ্য ও জ্বালানির দাম বাড়িয়ে তুলছে।

আমেরিকান অটোমোবাইল অ্যাসোসিয়েশনের (এএএ) তথ্যানুযায়ী, প্রতি গ্যালন পেট্রোলের গড় দাম বেড়ে ৪ দশমিক ৩৩ ডলারে (প্রতি লিটার ১ দশমিক ১৪ ডলার) এবং ডিজেল ৬ দশমিক ২৯ ডলারে (প্রতি লিটার ১ দশমিক ৬৬ ডলার) দাঁড়িয়েছে। গ্যাসবাডির পেট্রোলিয়াম বিশ্লেষণ প্রধান প্যাট্রিক ডিহান জানান, ২০২৬ সালে গ্যালন প্রতি গ্যাসের দাম ৪ ডলারের বেশি থাকার রেকর্ড দিন সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫৮ দিনে। এছাড়া আবাসন খরচ শূন্য দশমিক ৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই অবকাঠামোতে বিপুল বিনিয়োগের কারণে কম্পিউটার সফটওয়্যার ও যন্ত্রাংশের দাম গত বছরের চেয়ে ২৮ শতাংশ বেড়েছে। প্যারাবেলাম ইনভেস্টমেন্টের প্রধান রামি ক্যাসিস আল জাজিরাকে বলেন, এআই খাতের অগ্রগতি এতে বড় ভূমিকা রাখছে এবং ডেটা সেন্টার ও এআই ফার্মগুলোতে শত শত বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করা হচ্ছে। তবে খাবারের মোট খরচ অপরিবর্তিত ছিল; যেখানে পোল্ট্রি, ফলমূল ও সবজির দাম বাড়লেও দুধ ও গরুর মাংসের দাম কমেছে।

মূল্যস্ফীতির এই উল্লম্ফন আগামী ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে রিপাবলিকানদের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে। রয়টার্স/ইপসোসের এক সাম্প্রতিক জরিপে দেখা গেছে, প্রায় ৭৮ শতাংশ আমেরিকান নাগরিক দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতিকে দায়ী করেছেন। মূল্যস্ফীতির প্রতিবেদনের পর মার্কিন পুঁজিবাজারে নাসডাক শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ এবং এসঅ্যান্ডপি ৫০০ সূচক শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ কমেছে।

এমন পরিস্থিতিতে চলতি মাসের শেষ দিকে মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের নীতিগত সুদের হার বাড়ানোর আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। গত মাসে তিন বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো সুদের হার ২৫ বেসিস পয়েন্ট বাড়িয়ে ৩ দশমিক ৭৫ থেকে ৪ দশমিক ০০ শতাংশ করা হয়েছিল। সিএমই ফেডওয়াচের তথ্য অনুযায়ী, সুদের হার একই থাকার সম্ভাবনা ৫২ দশমিক ৯ শতাংশ এবং তা আরও বেড়ে ৪ দশমিক ০০ থেকে ৪ দশমিক ২৫ শতাংশে পৌঁছানোর সম্ভাবনা ৪৭ দশমিক ১ শতাংশ।