বন্ধ করুন
শাহজালালে শাড়ির নিচে মিলল ৪ কেজি কুশ, ভারতীয় নাগরিক গ্রেপ্তার
ডিজাইন:
100%
ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ
দৈনিক পত্রিকা


দৈনিক পত্রিকা ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ

ইপেপার সংস্করণ ১৫ অক্টোবর ২০২৬ দৈনিক পত্রিকা

Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ


শাহজালালে শাড়ির নিচে মিলল ৪ কেজি কুশ, ভারতীয় নাগরিক গ্রেপ্তার


মহাকল্লোল নিউজ ডেস্ক
মহাকল্লোল নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১৫ অক্টোবর ২০২৬ প্রিন্ট:
শাহজালালে শাড়ির নিচে মিলল ৪ কেজি কুশ, ভারতীয় নাগরিক গ্রেপ্তার
শাহজালালে শাড়ির নিচে মিলল ৪ কেজি কুশ, ভারতীয় নাগরিক গ্রেপ্তার
Featured Image

রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ভারতীয় শাড়ির আড়ালে লুকিয়ে আনা ৪ কেজি ২৮০ গ্রাম কুশসহ অভিজিৎ দাস (৪০) নামের এক ভারতীয় নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে বিমানবন্দরের আগমনী হলের গ্রিন চ্যানেলে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।

গ্রেপ্তার অভিজিৎ ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বাসিন্দা। ব্যাংকক থেকে থাই এয়ারওয়েজের টিজি ৩২১ ফ্লাইটে আসা এই যাত্রীর ট্রলি তল্লাশি করে মাদক উদ্ধার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে একটি ভারতীয় পাসপোর্ট, ২ হাজার ১৬০ রুপি, ৭০ থাই বাথ, একটি স্মার্টফোন, একটি বোর্ডিং কার্ড ও তিনটি ভারতীয় শাড়ি জব্দ করা হয়েছে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ঢাকা মেট্রো (উত্তর) কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. রাজিউর রহমান জানান, সহকারী পরিচালক ড. মো. আবু সাঈদ মিয়ার নেতৃত্বে একটি দল দুপুর ১টার দিকে এ অভিযান পরিচালনা করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিজিৎ নিজেকে ভারতের বনগাঁও রেলওয়ে স্টেশনের কুলি বলে দাবি করেন। তিনি জানান, একটি আন্তর্জাতিক ও ত্রিদেশীয় চক্র নিম্নআয়ের মানুষদের ব্যবহার করে কলকাতা থেকে ব্যাংককে নিয়ে বিভিন্ন পণ্যের আড়ালে বাংলাদেশে মাদক পাচার করছে।

ডিএনসি জানায়, চক্রটি দেশে কুশের বাজার তৈরির চেষ্টা করছে। পরিকল্পনা অনুসারে ঢাকায় দুই থেকে তিন দিন অবস্থান করে মাদকের চালান হস্তান্তর শেষে বেনাপোল দিয়ে অভিজিতের ভারতে ফেরার কথা ছিল। এ ঘটনায় ডিএনসির পরিদর্শক শাহরিয়া শারমিন বাদী হয়ে বিমানবন্দর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ (সংশোধিত ২০২৬)-এর ধারায় মামলা করেছেন।

উল্লেখ্য, কুশ হলো প্রাকৃতিক গাঁজার সঙ্গে ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ ও সিন্থেটিক ওপিওড মেশানো অত্যন্ত ক্ষতিকর একটি সিন্থেটিক মাদক। এটি ব্যবহারে তীব্র নেশা, ঝিমুনি ও অলীক কল্পনার সৃষ্টি হয় এবং মারাত্মক শারীরিক নির্ভরশীলতা তৈরি করে। অতিরিক্ত মাত্রায় ব্যবহারে হৃদস্পন্দন অনিয়মিত হওয়া, শ্বাসকষ্ট এবং আকস্মিক মৃত্যুর ঝুঁকি থাকে।