বন্ধ করুন
গাইবান্ধায় স্কুলছাত্রীকে মারধর ও হুমকির অভিযোগ,তদন্ত চলমান
ডিজাইন:
100%
ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ
দৈনিক পত্রিকা


দৈনিক পত্রিকা ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ

ইপেপার সংস্করণ ১৫ অক্টোবর ২০২৬ দৈনিক পত্রিকা

Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ


গাইবান্ধায় স্কুলছাত্রীকে মারধর ও হুমকির অভিযোগ,তদন্ত চলমান


মোঃ শহীদুল ইসলাম শহীদ
মোঃ শহীদুল ইসলাম শহীদ প্রতিনিধিঃ গাইবান্ধা
প্রকাশ: ১৪ অক্টোবর ২০২৬ প্রিন্ট:
গাইবান্ধায় স্কুলছাত্রীকে মারধর ও হুমকির অভিযোগ,তদন্ত চলমান
গাইবান্ধায় স্কুলছাত্রীকে মারধর ও হুমকির অভিযোগ,তদন্ত চলমান
Featured Image

গাইবান্ধা সদর উপজেলার খোর্দ্দ মালিবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক স্কুলছাত্রীকে মারধর,ভয়ভীতি প্রদর্শন ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে তদন্তের কিছু কার্যক্রম এখনো বাকি থাকায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিতে পারেননি তদন্ত কর্মকর্তা।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গাইবান্ধা সদর উপজেলার মালিবাড়ী মধ্যপাড়ার মো. রোকন মিয়ার ৮ বছর বয়সী মেয়ে রুকসানা আক্তার খোর্দ্দ মালিবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গত ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে বিদ্যালয়ে শ্রেণি কার্যক্রম চলাকালে সহকারী শিক্ষিকা মাহবুব আরা বেগমের বিরুদ্ধে শিশুটিকে কাঠের স্কেল দিয়ে মারধর করে হাতে আঘাত করার অভিযোগ ওঠে।

অভিযোগকারী রোকন মিয়ার দাবি, ঘটনার পর তাঁর মেয়ে বাড়িতে বিষয়টি জানালে পরিবারের পক্ষ থেকে স্থানীয়ভাবে সমাধানের চেষ্টা করা হয়। পরে গত ৪ অক্টোবর বিদ্যালয়ে এ ঘটনার বিচার চাইতে গেলে পরিস্থিতির অবনতি হয় বলে তিনি অভিযোগ করেন। একই দিন দুপুরে বাড়িতে গিয়ে তাঁকে ও তাঁর স্ত্রীকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ এবং তাঁদের মেয়েকে পুনরায় মারধরের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও করেন তিনি।

এ ছাড়া, গত ৫ অক্টোবর বিদ্যালয়ে ক্লাস চলাকালে শিশুটিকে আবারও মারধর, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং বিদ্যালয় থেকে বের করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়। পরে শিশুটিকে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয় বলে জানান অভিযোগকারী।

এসব ঘটনার প্রতিকার চেয়ে মো. রোকন মিয়া গাইবান্ধা সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

তদন্ত কর্মকর্তা সাংবাদিকদের জানান, অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে। তবে তদন্তের কিছু কার্যক্রম এখনো বাকি থাকায় এই মুহূর্তে চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তদন্তের বাকি কার্যক্রম শেষ করে প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে বলে জানান তিনি।

অভিযোগ অস্বীকার শিক্ষিকার

অন্যদিকে, অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষিকা মাহবুব আরা বেগম অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন,এই ঘটনা মিথ্যা। আমি বাচ্চাকে কোনো আঘাত করিনি। আমাকে চক্রান্ত করে ফাঁসানো হচ্ছে।”

এদিকে,অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত এখনো চলমান রয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের পর অভিযোগের সত্যতা ও পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।