মানসিক স্বাস্থ্যসেবায় বড় বাধা হিসেবে সামাজিক কলঙ্ক ও জনবল সংকটের কথা তুলে ধরেছেন বিশেষজ্ঞরা। মঙ্গলবার ১৩ অক্টোবর বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে রাজধানীর বাংলা একাডেমিতে এক সেমিনারে তারা এই অভিমত ব্যক্ত করেন। আঁচল ফাউন্ডেশনসহ কয়েকটি সংগঠনের উদ্যোগে ‘কমিউনিটি মেন্টাল হেলথ; আ পাথওয়ে টু ইনক্লুসিভ সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার’ শীর্ষক এই সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়।
শিক্ষাব্যবস্থায় মানসিক স্বাস্থ্যসেবা অন্তর্ভুক্ত করা এবং শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্ব দিয়ে পাঁচটি সুনির্দিষ্ট সুপারিশ তুলে ধরেন জিয়ানুর কবির। এর মধ্যে রয়েছে স্বতন্ত্র মানসিক স্বাস্থ্য অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা, জেলা ও মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মনোবিজ্ঞানী নিয়োগ এবং ট্রমা-সচেতন মনোসামাজিক সহায়তা নিশ্চিত করা। জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য জরিপ ২০১৯ অনুযায়ী, প্রাপ্তবয়স্কদের ১৬ দশমিক ৮ শতাংশ এবং শিশু-কিশোরদের ১৩ দশমিক ৬ শতাংশ মানসিক সমস্যায় ভুগলেও তাদের সিংহভাগই কোনো চিকিৎসা নেননি।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত মানসিক স্বাস্থ্যকে জাতীয় উন্নয়নের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে বিবেচনার ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, মানসিক স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করতে কার্যকর জনবল কাঠামো এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। প্রাথমিকভাবে ২০টি উপজেলায় পাইলট প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে অভিজ্ঞতা অর্জন করে পর্যায়ক্রমে দেশব্যাপী সেবা সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।