বন্ধ করুন
দেশে ৩০ শতাংশ মানুষ আর্থ্রাইটিসে আক্রান্ত, বাড়ছে অক্ষমতা
ডিজাইন:
100%
ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ
দৈনিক পত্রিকা


দৈনিক পত্রিকা ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ

ইপেপার সংস্করণ ১৫ অক্টোবর ২০২৬ দৈনিক পত্রিকা

Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ


দেশে ৩০ শতাংশ মানুষ আর্থ্রাইটিসে আক্রান্ত, বাড়ছে অক্ষমতা


মহাকল্লোল নিউজ ডেস্ক
মহাকল্লোল নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১৩ অক্টোবর ২০২৬ প্রিন্ট:
দেশে ৩০ শতাংশ মানুষ আর্থ্রাইটিসে আক্রান্ত, বাড়ছে অক্ষমতা
দেশে ৩০ শতাংশ মানুষ আর্থ্রাইটিসে আক্রান্ত, বাড়ছে অক্ষমতা
Featured Image

বাংলাদেশে ১৮ বছর বা এর বেশি বয়সী প্রাপ্তবয়স্কদের প্রায় ৩০ দশমিক ৪ শতাংশ মানুষ কোনো না কোনো ধরনের মাস্কুলোস্কেলেটাল বা আর্থ্রাইটিস সমস্যায় ভুগছেন। এর মধ্যে নারীদের আক্রান্ত হওয়ার হার তুলনামূলক বেশি। আজ ১২ অক্টোবর ‘বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস’ উপলক্ষ্যে বাতের রোগীদের নিয়ে কাজ করা সংগঠন প্রফেসর নজরুল রিউমাটোলজি ফাউন্ডেশন অ্যান্ড রিসার্চ (পিএনআরএফআর) ট্রাস্টের পক্ষ থেকে এক বার্তায় এই উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।

বার্তায় জানানো হয়, আর্থ্রাইটিসে আক্রান্ত রোগীদের প্রায় ২৪ দশমিক ৮ শতাংশ শারীরিক প্রতিবন্ধকতার শিকার হন এবং প্রায় ২৪ দশমিক ৪ শতাংশ রোগী বছরের কোনো না কোনো সময় সম্পূর্ণ কর্মক্ষমতা হারান। অস্টিওআর্থ্রাইটিস, রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস ও স্পন্ডাইলোআর্থ্রাইটিসের মতো দীর্ঘমেয়াদি রোগের চিকিৎসা ও ওষুধের ব্যয় রোগীর পরিবারের ওপর বড় চাপ তৈরি করে। দেশে স্বাস্থ্য ব্যয়ের সিংহভাগ ব্যক্তিপর্যায়ে বহন করতে হওয়ায় অনেক পরিবার ঋণগ্রস্ত হয়ে দারিদ্র্যের দিকে ধাবিত হচ্ছে।

পিএনআরএফআরের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. নজরুল ইসলাম জানান, প্রায় ১৭ কোটি মানুষের দেশে রিউমাটোলজি ও আর্থ্রাইটিস বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সংখ্যা অপ্রতুল হওয়ায় সঠিক সময়ে রোগ নির্ণয় ব্যাহত হচ্ছে। অথচ প্রাথমিক অবস্থায় চিকিৎসা নিলে জয়েন্টের স্থায়ী ক্ষতি রোধ করা সম্ভব। এ কারণে জাতীয় অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচিতে হৃদ্‌রোগ, ডায়াবেটিস ও ক্যানসারের মতো আর্থ্রাইটিসকেও সমান গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

১৯৯৬ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী পালিত এই দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য ‘আসুন স্বপ্ন পূরণ করি’। সংগঠনটির পক্ষ থেকে জয়েন্টে ব্যথা বা ফোলাকে অবহেলা না করে প্রাথমিক অবস্থায় বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া, সঠিক থেরাপি, নিয়মিত ব্যায়াম এবং টিকা গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আক্রান্ত ব্যক্তিদের কর্মক্ষম রাখতে পরিবার ও কর্মক্ষেত্রে অনুকূল পরিবেশ তৈরির তাগিদ দেওয়া হয়।