পাকিস্তানের খাইবার পাখদুঙ্খায় সরাসরি নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার। রবিবার প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের পরামর্শে প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি এই সংক্রান্ত এক ঘোষণায় স্বাক্ষর করেন। তত্ত্বাবধানে থাকা সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল পিটিআই এই সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে।
পাকিস্তানের সংবিধানের ২৩২ ধারা অনুযায়ী অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে জরুরি অবস্থা জারি করা যায়। এছাড়া ২৩৪ ধারার আওতায় রাজ্যপালের শাসন জারি করা হয়েছে। দেশটির তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার জানিয়েছেন, নজিরবিহীন সন্ত্রাসী হামলার মুখে প্রাদেশিক সরকার সংবিধান অনুযায়ী কাজ করতে ব্যর্থ হয়েছে।
প্রদেশের গভর্নর ফয়সাল করিম কান্দির নেতৃত্বে এই শাসন পরিচালিত হবে এবং তাকে সহায়তার জন্য একটি উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা হয়েছে। সোমবার জুনিয়র স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তালাল চৌধুরী জানান যে প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী সোহেল আফ্রিদি এবং অন্যান্য পিটিআই নেতাদের আটক করা হয়েছে।
পিটিআই এই পদক্ষেপে তীব্র আপত্তি জানিয়ে আদালতের শরণাপন্ন হওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। দলটির চেয়ারম্যান গোহর আলী খান বলেছেন, নির্দিষ্ট কিছু জেলায় নিরাপত্তা সমস্যা থাকলে পুরো প্রদেশে কেন জরুরি অবস্থা জারি করা হলো তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। আগামী ১০ দিনের মধ্যে পার্লামেন্টের উভয় কক্ষে এই জরুরি অবস্থা অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে। পকিস্তানের ইতিহাসে এর আগেও বিভিন্ন সময়ে প্রদেশগুলোতে এই ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।