বন্ধ করুন
তিন দেশের বিনিয়োগকারীদের জন্য বেপজার বিশেষ ডেস্ক
ডিজাইন:
100%
ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ
দৈনিক পত্রিকা


দৈনিক পত্রিকা ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ

ইপেপার সংস্করণ ১৫ অক্টোবর ২০২৬ দৈনিক পত্রিকা

Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ


তিন দেশের বিনিয়োগকারীদের জন্য বেপজার বিশেষ ডেস্ক


মহাকল্লোল নিউজ ডেস্ক
মহাকল্লোল নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১১ অক্টোবর ২০২৬ প্রিন্ট:
তিন দেশের বিনিয়োগকারীদের জন্য বেপজার বিশেষ ডেস্ক
তিন দেশের বিনিয়োগকারীদের জন্য বেপজার বিশেষ ডেস্ক
Featured Image

বিদেশী বিনিয়োগকারীদের দ্রুত ও কার্যকর সেবা দেয়ার লক্ষ্যে চীন, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের বিনিয়োগকারীদের জন্য তিনটি বিশেষায়িত কান্ট্রি ডেস্ক চালু করেছে বাংলাদেশ রফতানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা)। শনিবার ১০ অক্টোবর রাজধানীতে আয়োজিত ‘মিট দ্য ইনভেস্টরস’ অনুষ্ঠানে এসব ডেস্কের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। বেপজার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে এবং অনুষ্ঠানে শতাধিক দেশী-বিদেশী বিনিয়োগকারী অংশ নেন।

নতুন কান্ট্রি ডেস্ক সম্পর্কে বেপজার চেয়ারম্যান বলেন, বিশেষায়িত এসব ডেস্ক চীন, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের বিদ্যমান বিনিয়োগকারীদের সাথে সম্পর্ক আরো জোরদার করবে এবং ব্যবসা সম্প্রসারণে উৎসাহিত করবে। অনুষ্ঠানে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সংস্থাটির অর্জন তুলে ধরে জানানো হয় যে, এই সময়ে ৩৬টি প্রতিষ্ঠানের সাথে বিনিয়োগ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। একই অর্থবছরে বেপজার আওতাধীন অঞ্চলগুলো থেকে আট দশমিক ৪১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য রফতানি হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বেপজার সদস্য মো: তানভীর হোসেন নতুন অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং যশোর ও পটুয়াখালীতে ইপিজেড স্থাপনের অগ্রগতি তুলে ধরে সেখানে বিনিয়োগের আহ্বান জানান। বেপজার অতিরিক্ত নির্বাহী পরিচালক নাজমুল ইসলাম ভূঁইয়া ইপিজেডের শ্রমিক কল্যাণ ও শ্রম আইন সংশোধন নিয়ে আলোচনা করেন। এছাড়া কোরিয়া-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাধারণ সম্পাদক মিলিয়ন পার্ক বাংলাদেশে কোরীয় বিনিয়োগ বাড়াতে অবকাঠামোগত উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দেন।

১৯৮০ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে বেপজা দেশের রফতানিমুখী শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। বর্তমানে সংস্থাটির আওতাধীন আটটি ইপিজেড ও দু’টি অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিশ্বের ৩৮টি দেশের বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগ করেছেন। এসব অঞ্চলে মোট বিনিয়োগের পরিমাণ প্রায় সাত দশমিক ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং ক্রমপুঞ্জীভূত রফতানির পরিমাণ প্রায় ১৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।