বন্ধ করুন
চিকিৎসাসেবার ছদ্মবেশে ভেজাল দুধের কারবার উদ্ঘাটন
ডিজাইন:
100%
ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ
দৈনিক পত্রিকা


দৈনিক পত্রিকা ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ

ইপেপার সংস্করণ ১৫ অক্টোবর ২০২৬ দৈনিক পত্রিকা

Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ


চিকিৎসাসেবার ছদ্মবেশে ভেজাল দুধের কারবার উদ্ঘাটন


মহাকল্লোল নিউজ ডেস্ক
মহাকল্লোল নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১১ অক্টোবর ২০২৬ প্রিন্ট:
চিকিৎসাসেবার ছদ্মবেশে ভেজাল দুধের কারবার উদ্ঘাটন
চিকিৎসাসেবার ছদ্মবেশে ভেজাল দুধের কারবার উদ্ঘাটন
Featured Image

পাবনার ফরিদপুরে জেলি, সয়াবিন তেল ও রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করে ভেজাল দুধ তৈরির অভিযোগে দুটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। শনিবার (১০ অক্টোবর) রাতে উপজেলার পুরেন্দরপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রতিষ্ঠান দুটিকে মোট এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট একজনকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং একটি প্রতিষ্ঠান সিলগালা করা হয়।

দীর্ঘদিন ধরে পুরেন্দরপুর উত্তরপাড়া এলাকায় ভেজাল দুধ তৈরি ও বাজারজাত করার অভিযোগ মিলছিল। প্রশাসনের অভিযানের খবর পেয়ে অভিযুক্তরা সতর্ক হয়ে যাওয়ায় তাদের শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়েছিল। এ কারণে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের সহকারী পরিচালক মাহমুদ হাসান রনির নেতৃত্বে একটি দল বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা ও স্বাস্থ্যসচেতনতা কার্যক্রমের ছদ্মবেশে এলাকায় যায়।

অভিযানে শামীম হোসেন নামের এক ব্যবসায়ীকে দুধে হাইড্রোজেন পার-অক্সাইড মেশানোর সময় শনাক্ত করা হয় এবং তার কাছ থেকে ১০০ গ্রাম হাইড্রোজেন পার-অক্সাইড উদ্ধার করা হয়। এই অপরাধে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অন্যদিকে ‘স্বপ্ন ডেইরি ফার্ম’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানে জেলি, সয়াবিন তেল ও ব্লেন্ডার মেশিন ব্যবহার করে নকল দুধ তৈরির প্রমাণ পান অভিযানকারীরা।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান ফরিদপুর উপজেলার ইউএনও ইমামা বানীম এবং ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। আদালত প্রতিষ্ঠানটিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, সংশ্লিষ্ট একজনকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও প্রতিষ্ঠানটি সাময়িকভাবে সিলগালা করেন। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা দুই ড্রাম জেলি ও এক ড্রাম পামওয়েল ধ্বংস করা হয়।

ইউএনও ইমামা বানীম জানান, ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করে ভেজাল দুধ তৈরির প্রমাণ পাওয়ায় জরিমানা ও কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সহকারী পরিচালক মাহমুদ হাসান রনি বলেন, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং খাদ্যপণ্যে ভেজাল মেশানোর ঘটনায় কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।