বন্ধ করুন
তাজমিন হত্যা: আইফোনের কললিস্টে মিলল একাধিক ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতার সূত্র
ডিজাইন:
100%
ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ
দৈনিক পত্রিকা


দৈনিক পত্রিকা ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ

ইপেপার সংস্করণ ১৫ অক্টোবর ২০২৬ দৈনিক পত্রিকা

Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ


তাজমিন হত্যা: আইফোনের কললিস্টে মিলল একাধিক ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতার সূত্র


মহাকল্লোল নিউজ ডেস্ক
মহাকল্লোল নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৯ অক্টোবর ২০২৬ প্রিন্ট:
তাজমিন হত্যা: আইফোনের কললিস্টে মিলল একাধিক ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতার সূত্র
তাজমিন হত্যা: আইফোনের কললিস্টে মিলল একাধিক ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতার সূত্র
Featured Image

কুমিল্লায় সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী জান্নাতুল তাজমিন হত্যাকাণ্ডের তদন্তে নতুন তথ্য পেয়েছে পুলিশ। নিহতের ব্যবহৃত আইফোন উদ্ধার এবং মোবাইল ফোনের কললিস্ট বিশ্লেষণ করে এ ঘটনায় একাধিক ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্‌ঘাটনে তদন্ত চলছে।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) চট্টগ্রাম থেকে অটোরিকশাচালক মো. সুমনকে গ্রেপ্তারের পর তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাজমিনের আইফোন উদ্ধার করা হয়।

কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান শুক্রবার সন্ধ্যায় জানান, সুমনকে জিজ্ঞাসাবাদ এবং তাজমিনের মোবাইল ফোনের কললিস্ট বিশ্লেষণ করে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় হত্যাকাণ্ডে আরও কয়েকজনের সংশ্লিষ্টতার তথ্য মিলেছে। তাঁদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

পুলিশ জানায়, উদ্ধার হওয়া আইফোনের তথ্য, কললিস্ট ও বিভিন্ন এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্‌ঘাটনের চেষ্টা চলছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল ১০টায় সংবাদ সম্মেলনের কথা জানিয়েছে জেলা পুলিশ।

যেভাবে নিখোঁজ হয় তাজমিন

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত ৪ অক্টোবর বাসা থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হয় তাজমিন। পরিবারের কাছে সে বান্ধবীর বাসায় বেড়াতে যাওয়ার কথা বলেছিল। পরে মোবাইল ফোনের কললিস্ট বিশ্লেষণ করে পুলিশ জানতে পারে, ওই দিন সে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গিয়েছিল। পরদিন কুমিল্লায় ফিরে আবার কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা হয়।

তদন্তসংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, ৭ অক্টোবর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কক্সবাজার থেকে রওনা হওয়ার পর রাতে কুমিল্লার পদুয়ার বাজার এলাকায় নূরজাহান হোটেলের সামনে নামে তাজমিন। সিসিটিভি ফুটেজে তাকে গাড়ি থেকে একা নামতে দেখা যায়।

পরবর্তী সময়ে হোটেলের আশপাশের বিভিন্ন ক্যামেরার ফুটেজে মোবাইল ফোন হাতে এবং কাঁধে ভ্যানিটি ব্যাগ নিয়ে তাকে চলাফেরা করতে দেখা যায়। একপর্যায়ে তাকে সড়কের দিকে যেতে দেখা গেলেও এরপর তার গতিবিধি সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার মতো ফুটেজ পাওয়া যায়নি।

তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ সূত্র আইফোন

তাজমিনের আইফোন উদ্ধার হওয়ায় তার সঙ্গে কারা যোগাযোগ করেছিল, কারও সঙ্গে নিয়মিত কথা হতো কি না এবং নিখোঁজ হওয়ার আগে ও পরে তার চলাচল সম্পর্কে নতুন তথ্য পাওয়া যায় কি না, সেসব বিষয় খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

তবে কললিস্ট বিশ্লেষণে ঠিক কী তথ্য পাওয়া গেছে এবং হত্যাকাণ্ডে অন্য কারও ভূমিকা কী ছিল, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো বিস্তারিত প্রকাশ করেনি।

নিহত জান্নাতুল তাজমিনের বয়স ১৩ বছর। সে কুমিল্লা নগরীর ফরিদা বিদ্যায়তনের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। তার বাড়ি যশোর সদর উপজেলার চড়ামনকাঠি ইউনিয়নের ছাতিয়ানতলা এলাকায়। তার বাবা আবদুল আলীম একটি বেসরকারি ওষুধ কোম্পানিতে কুমিল্লা জেলায় কর্মরত। বাবার চাকরির সুবাদে পরিবারের সঙ্গে নগরীর রেইসকোর্স এলাকায় বসবাস করত তাজমিন।

পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে তদন্ত এবং অভিযান অব্যাহত রয়েছে।