ভিডিওটি পোস্ট করার কয়েক ঘণ্টা পর লখনৌর একটি অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন অভিনেত্রী তনুশ্রী দত্ত। নানা পাটেকরের মৃত্যু নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি জানান যে আজকের দিনটি তাদের অনুষ্ঠানের জন্য এবং তিনি চান অনুষ্ঠানটি সফল হোক। এছাড়া ২০১৮ সালে অভিনেতা নানা পাটেকরের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ এনেছিলেন তনুশ্রী, যা বলিউডে ‘মি টু’ আন্দোলনকে জোরাল করেছিল। ২০০৮ সালে ‘হর্ন ওকে প্লিজ’ সিনেমার একটি গানে নানা পাটেকরের বিরুদ্ধে খারাপ আচরণের অভিযোগ তুলেছিলেন তিনি।
১৯৮৪ সালের ১৯ মার্চ ঝাড়খন্ডের জামশেদপুরের একটি বাঙালি হিন্দু পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন তনুশ্রী দত্ত। পুনে ইউনিভার্সিটি থেকে স্নাতক ডিগ্রি নেওয়ার পর ২০০৪ সালে ‘মিস ইন্ডিয়া ইউনিভার্স’ প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হন এই অভিনেত্রী। ২০০৫ সালে ‘আশিক বানায়া আপনে’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে পা রেখে বেশ কিছু সিনেমায় অভিনয় করেন। তবে গতকাল নানা পাটেকরের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর ইনস্টাগ্রামে ‘শয়তানের মৃত্যু’ লিখে একটি ভিডিও পোস্ট করেন তনুশ্রী।
ভিডিওতে তনুশ্রী বলেন যে তিনি যে ধরনের নেতিবাচকতার মুখোমুখি হয়েছেন তা হয়তো অন্যদের অভিজ্ঞতার সঙ্গে মিলবে না। তিনি পুরোনো বিষয় সামনে আনতে না চাইলেও প্রশ্ন তোলেন যে কেউ অপকর্ম করলে তার মৃত্যুর পর সব মুছে যায় কি না। তার এই মন্তব্য ভালোভাবে গ্রহণ করেননি চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট অনেকে এবং তনুশ্রী নিজেও ট্রলকারী ও ইউটিউবারদের কটাক্ষ করেছেন। ২০২০ সালের পর তার ওপর প্রাণঘাতী হামলা ও গাড়ির ব্রেক নষ্ট করে দেওয়ার মতো ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথাও তিনি স্মরণ করেন।
লখনৌ যাওয়ার পথে নানা পাটেকরের মৃত্যুর খবর জানতে পেরে তনুশ্রী মন্তব্য করেছিলেন যে এই ‘শয়তানের মৃত্যু’ নিয়ে সংবাদমাধ্যমে আগ্রহ থাকবে। এদিকে ১৯৮৪ সালে জন্মগ্রহণ করা এই অভিনেত্রী দীর্ঘ দিন ধরে চলচ্চিত্র থেকে দূরে রয়েছেন। তার এই রহস্যময় মন্তব্য ও পুরোনো বিতর্ক বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও সংবাদমাধ্যমে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।