রাত ৯টা ২০ মিনিটে অফিসের লিফট থেকে নামতেই মনে হয় আজ বাসায় গিয়ে রান্না করার মতো শক্তি নেই। ঢাকার কর্মজীবী মানুষের কাছে এমন দৃশ্য খুব একটা অচেনা নয়, যেখানে কাজ শেষ হতে দেরি এবং যানজট পেরিয়ে বাসায় ফেরা মিলিয়ে রাতের খাবার আরেকটি কাজের মতো মনে হয়। সবচেয়ে জনপ্রিয় রেস্তোরাঁ কোনটি, তার চেয়ে সেদিন পরিবারের সদস্যরা কী খেতে চাইছেন—সেটিই রাতের খাবারের সিদ্ধান্তে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
ফুডির মতো প্ল্যাটফর্মে দেশীয় খাবারের পাশাপাশি পিৎজা, বার্গার, পাস্তা, ফ্রাইড চিকেন, কাবাব, ভাতের পদ ও মিষ্টান্ন পাওয়া যায়। পরিবারের সদস্যদের পছন্দ আলাদা হলেও এক জায়গা থেকেই বিভিন্ন বিকল্প দেখা সম্ভব, যা পছন্দ অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ করে। তবে রাত বাড়লে রেস্তোরাঁর খোলার সময় গুরুত্বপূর্ণ, কারণ সাড়ে ১০টায় সব রেস্তোরাঁ খোলা থাকে না এবং রান্নাঘরের সময় শেষ হয়ে যেতে পারে।
অফিস থেকে বাসায় ফিরতে ৪০ মিনিট লাগলে বাসায় পৌঁছে খাবার খোঁজা শুরু করলে রাত আরও পিছিয়ে যায়, তাই ফেরার পথেই ফুডিতে খাবার বেছে নেওয়া যায়। রেস্তোরাঁর প্রস্তুতির সময় এবং পৌঁছানোর সময় দেখে অর্ডার করলে অপেক্ষার সময় সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। ফুডির ইন-অ্যাপ লাইভ চ্যাট ছাড়াও ১৬২৯৫ নম্বরে গ্রাহকসেবা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে, যা সমস্যা সমাধানে সহায়তা করে।
ফুডি বর্তমানে দেশের ৩০টির বেশি জেলায় খাবার সরবরাহ সেবা দিচ্ছে, ফলে ঢাকাকেন্দ্রিক ছাড়াও বিভিন্ন জেলার ব্যবহারকারীরা এলাকার রেস্তোরাঁ দেখে অর্ডার করতে পারেন। ব্যস্ত শহুরে জীবনে তাই অনলাইনে খাবার অর্ডার করা শুধু বিশেষ আয়োজন নয়, বরং দিনের শেষ কাজটিকে একটু সহজ করার ব্যবহারিক পদ্ধতি।