গাজায় ইসরায়েলি সামরিক অভিযানের জেরে যুক্তরাজ্যের সাধারণ মানুষ ফিলিস্তিনপন্থি আন্দোলনে যোগ দিতে শুরু করেছেন। স্কটিশ গ্রামাঞ্চলের বাসিন্দা ৫২ বছর বয়সী ক্লেয়ার ২০২৩ সালের যুদ্ধবিরতির দাবিতে প্রথম কোনো মিছিলে অংশ নেন। তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুয়েলা ব্রাভারম্যানের মিছিলগুলোকে ঘৃণা মিছিল বলায় তিনি গভীরভাবে মর্মাহত হন।
কলচেস্টারের ৭০ বছর বয়সী মার্জি এবং তাঁর স্বামী আর্থিক খাতের সফল পেশাজীবী হিসেবে অবসর নিয়েছেন। তিনিও জীবনে কখনো মিছিলে যাননি, তবে ব্রাভারম্যানের মন্তব্যের পর তিনি আর ঘরে বসে থাকতে পারেননি। ফিলিস্তিন অ্যাকশনকে নিষিদ্ধ করার প্রতিবাদে এবং গাজায় ইসরায়েলের নির্বিচার হামলার বিরুদ্ধে তারা রাজপথে নেমে আসেন।
গত জুলাই মাসে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী ওয়েস্টমিনস্টার থেকে মার্জি দম্পতিকে গ্রেপ্তার করা হয়। চলতি বছরে ফিলিস্তিন অ্যাকশনকে সমর্থন জানানোর অভিযোগে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের ১১ ও ১২ ধারায় ক্লেয়ারকেও পুলিশ গ্রেপ্তার করে। এ পর্যন্ত নিষিদ্ধ এই প্রেশার গ্রুপকে সমর্থনের জন্য ৩ হাজারেরও বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর থেকে ইসরায়েলি বোমাবর্ষণে গাজায় ৭৪ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন খাতের মানুষ ইসরায়েলে অস্ত্র বিক্রি বন্ধ এবং কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার দাবি জানিয়ে আসছেন। আইনি ঝুঁকি ও গ্রেপ্তার সত্ত্বেও ফিলিস্তিনপন্থি এই আন্দোলনকারীরা তাদের দাবিতে অনড় রয়েছেন।