চাকরি দেওয়ার নামে ৬ লাখ ৫ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগে ওয়েম্যান গ্রেপ্তার,ভুক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে বাংলাদেশ রেলওয়ের ওয়েম্যান আসাদুল ইসলামের বিরুদ্ধে চাকরি দেওয়ার কথা বলে ৬ লাখ ৫ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। টাকা নেওয়ার পর চাকরি না দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে হয়রানি ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় বর্তমানে তিনি গাইবান্ধা কারাগারে রয়েছেন।
বুধবার দুপুরে গাইবান্ধা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বামনডাঙ্গা এলাকার ভুক্তভোগী সুজন বাবু।
সুজন বাবুর অভিযোগ, ২০১৮ সালের ১৫ মে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তার কাছ থেকে ৬ লাখ ৫ হাজার টাকা নেন আসাদুল ইসলাম। পরে চাকরি না হওয়ায় টাকা ফেরত চাইলে বিভিন্ন টালবাহানা করতে থাকেন তিনি।
এ ঘটনায় পরবর্তীতে আদালতে মামলা হলে আসাদুল ইসলাম টাকা ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে মুচলেকা দেন। তবে এরপরও টাকা ফেরত না দেওয়ায় মামলা করেন সুজন। পরে গত ২১ সেপ্টেম্বর পুলিশ আসাদুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে।
সংবাদ সম্মেলনে সুজন আরও অভিযোগ করেন, আসাদুল ইসলামের লোকজন তাকে চাঁদা দাবি ও হয়রানি করেছে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তার বিরুদ্ধে একটি অপহরণ মামলা করা হয় এবং ওই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার হয়ে প্রায় ২৩-২৪ দিন কারাগারে থাকতে হয়েছে।
সুজন বাবুর দাবি, আসাদুল ইসলামের সঙ্গে লালমনিরহাটে কর্মরত আরেক ওয়েম্যান জেলাল হোসেনও চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণার সঙ্গে জড়িত। বিভিন্ন এলাকার অন্তত ৮৪ জনের কাছ থেকে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।
ভুক্তভোগী এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত, তার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার, অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং তার কাছ থেকে নেওয়া ৬ লাখ ৫ হাজার টাকা ফেরত দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।