যুক্তরাষ্ট্রের উপরাষ্ট্রপতি জেডি ভ্যান্স যুদ্ধ বন্ধের চুক্তির অংশ হিসেবে ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ ক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানোর আহ্বান জানিয়েছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি তেহরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ সম্পূর্ণ পরিত্যাগের আগের দাবি থেকে ওয়াশিংটনের নরম হওয়ার ইঙ্গিত হতে পারে। রয়টার্স সংস্থাকে ভ্যান্স বলেন, ইরান যদি পারমাণবিক অস্ত্র না চায়, তবে তাদের ৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ জ্বালানির প্রয়োজন কেন?
এদিকে ইরানের প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান সোমবার বলেছেন যে ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনা হলো পণ্ডশ্রম এবং যুক্তরাষ্ট্র সরকারের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে আলোচনার ব্যবহার করছে। আর্মেনিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের সমস্যা হলো যখনই আমরা আলোচনার টেবিলে আসি, তখনই আমাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়। ইরানের সরকারি বার্তা সংস্থা ইরনা জানিয়েছে, এ পর্যন্ত আলোচনার পর তারা আমাদের ওপর তিনবার হামলা চালিয়েছে যা তাদের সংলাপ না চাওয়ার প্রমাণ।
তবে অক্টোবরের ৪ তারিখে তেহরানে বিদেশি রাষ্ট্রদূতদের উদ্দেশ্যে আরাগচি বলেন, কেবল ন্যায়বিচার ও নিরপেক্ষতার ওপর ভিত্তি করেই এই সংঘাতের অবসান ঘটানো সম্ভব যা আলোচনার ধারাবাহিকতা বজায় রাখার ইঙ্গিত দেয়। এর আগে সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সময় হরমুজ প্রণালী পুনরায় চালু এবং আলোচনা পুনরায় শুরুর জন্য একটি প্রস্তাব উপস্থাপন করেছিল ইরান। পরবর্তীতে ট্রাম্প সেই প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করেন।
অ্যাথেন্সে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে রুবিও চুক্তিে পৌঁছানোর বেশ কয়েকটি সুযোগ হাতছাড়া করার জন্য ইরানকে অভিযুক্ত করেছেন। তিনি বলেন, ইরান পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হতে পারে না, সহজ কথা, এখানেই শেষ। তিনি আরও দাবি করেন যে, হরমুজ প্রণালীর ওপর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে ইরান এবং তাদের অর্থনীতি সম্পূর্ণ পতনের মুখে রয়েছে। কঠোর নিষেধাজ্ঞার কারণে দেশটি বিশ্বের খুব কম দেশ যে অবস্থানে গেছে সেখানে পৌঁছাতে চলেছে বলে তিনি দাবি করেন।