শিক্ষাব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে চলা বিক্ষোভের মুখে ফ্রান্সজুড়ে চলতি সপ্তাহের বাকি দিনগুলোর জন্য হাইস্কুলের ক্লাস স্থগিত করেছেন প্রধানমন্ত্রী সেবাস্টিয়ান লেকোর্নু। গত দুই সপ্তাহ ধরে প্যারিসের দরিদ্রতম郊গুলো থেকে শুরু হওয়া এই বিক্ষোভ বর্তমানে সারা দেশে ছড়িয়ে পড়েছে এবং এতে শহুরে সহিংসতার রূপ নিয়েছে।
সোমবার লেন্স শহরে শিক্ষার্থী ও পুলিশের সংঘর্ষে ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরের হাত উড়ে যাওয়ার পর এই সিদ্ধান্ত আসে। বিক্ষোভের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ৬,১00 জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং এদের বেশিরভাগই ১৮ বছরের কম বয়সী বলে জানিয়েছে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
মঙ্গলবারেও শত শত বিক্ষোভকারী স্কুলগুলোতে ব্যারিকেড দিলে পুলিশ টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে এবং বিভিন্ন শহরে প্রায় আড়াই লাখ থেকে পাঁচ লাখ মানুষ অংশ নেয়। শিক্ষক ইউনিয়ন, কৃষক ইউনিয়ন ও এনার্জি ওয়ার্কার্সসহ বিভিন্ন গোষ্ঠী শিক্ষার্থীদের সমর্থনে রাস্তায় নেমেছে বলে জানা গেছে।
এদিকে ফ্রান্সের এই বিক্ষোভ নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কোনো প্রমাণ ছাড়াই অভিবাসন ও মুসলমানদের দায়ী করে মন্তব্য করেছেন। অন্যদিকে ফরাসি সরকার অক্টোবর মাসের মধ্যে শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো নিয়ে কাজ করার এবং পুরনো ক্যাম্পাসগুলো মেরামতের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।