লৌহিত সাগর উপকূল ছাড়াও তাইজ, মারিব এবং আল-জাওফসহ একাধিক মোর্চায় হুথিদের বিরুদ্ধে সরকারি বাহিনীর আক্রমণে সহায়তা করছে বিমান হামলা। সানা সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের চেয়ারম্যান মাজেদ আল-মাদহাজি আল জাজিরাকে জানান যে বিমান হামলার হার ও নির্ভুলতা আগের তুলনায় অনেক বেশি। যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের গোয়েন্দা তথ্য এবং ২০০ মার্কিন উপদেষ্টার সহায়তায় এই হামলাগুলো আরও দক্ষ ও সমন্বিত হয়েছে।
সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রশিক্ষিত জায়ান্ট ব্রিগেড এই আক্রমণের অগ্রভাগে রয়েছে যা লড়াইয়ের গতিপথ বদলে দিয়েছে। ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার হুথিদের বিরুদ্ধে দীর্ঘ লড়াইয়ে অবশেষে নিজেদের উদ্যোগ দেখাতে চায়। এর আগে ২০২২ সালে শাবওয়ায় এবং মারিব ও আল-বায়দায় হুথিদের পরাজিত করেছিল এই জায়ান্ট ব্রিগেড বাহিনী।
মারিব ও আল-জাওফ মরুভূমি অঞ্চলে সরকারি বাহিনী অগ্রগতির দাবি করলেও মূল লক্ষ্য হলো ২০১৪ সাল থেকে হুথিদের দখলে থাকা সানা পুনরুদ্ধার করা। তবে হুথিদের শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতা রয়েছে এবং তারা জোরালো আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে। তা সত্ত্বেও, বর্তমান সংঘাতে সরকার ও সৌদি আরব আগের চেয়ে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সমর্থন পাচ্ছে।
ইয়েমেনজুড়ে রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্ব ফিরিয়ে আনতে অপারেশন ডন অব ইয়েমেন ঘোষণার পরপরই এই সামরিক অভিযান শুরু হয়। যুক্তরাজ্য সৌদি আরবকে প্রতিরক্ষামূলক সহায়তা দেওয়ার কথা জানিয়েছে এবং পাকিস্তান ও তুরস্কের সাথে পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি সক্রিয় করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক এই সমর্থন দীর্ঘস্থায়ী এই সামরিক অভিযানের সাফল্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।