বন্ধ করুন
যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধের মুখে ইরানের তেলমন্ত্রীর পদত্যাগ
ডিজাইন:
100%
ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ
দৈনিক পত্রিকা


দৈনিক পত্রিকা ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ

ইপেপার সংস্করণ ১৫ অক্টোবর ২০২৬ দৈনিক পত্রিকা

Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ


যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধের মুখে ইরানের তেলমন্ত্রীর পদত্যাগ


মহাকল্লোল নিউজ ডেস্ক
মহাকল্লোল নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৬ অক্টোবর ২০২৬ প্রিন্ট:
যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধের মুখে ইরানের তেলমন্ত্রীর পদত্যাগ
যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধের মুখে ইরানের তেলমন্ত্রীর পদত্যাগ
Featured Image

যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর অবরোধের মুখে দেশটির তেল রফতানি যখন কার্যত বাধাগ্রস্ত, তখন পদত্যাগ করেছেন ইরানের তেলমন্ত্রী মোহসেন পাকনেজাদ। তার স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন দেশটির শীর্ষ তেল কর্মকর্তা ও ন্যাশনাল ইরানিয়ান অয়েল কোম্পানির প্রধান নির্বাহী হামিদ বোভার্দ। ইরানের প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের এক বিবৃতির বরাতে ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, মোহসেন পাকনেজাদের পদত্যাগপত্র গ্রহণের পর হামিদ বোভার্দকে ভারপ্রাপ্ত তেলমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।

রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, পাকনেজাদ কিছুদিন আগে ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তখন প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান তাকে দায়িত্বে থাকার অনুরোধ জানিয়ে তা গ্রহণ করেননি। তবে পাকনেজাদ নিজের সিদ্ধান্তে অনড় থাকায় শেষ পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট তা মেনে নেন এবং তার প্রচেষ্টা ও আন্তরিক সেবার প্রশংসা করেন।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে বিশ্ব বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহের জন্য কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি একটি সংবেদনশীল কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। গত ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা শুরুর আগে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও এলএনজি এই প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হতো। বর্তমানে ইরান এই প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে বাধা দিচ্ছে এবং অনুমতি ছাড়া চলাচলের অভিযোগে বিভিন্ন জাহাজে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।

এর জবাবে ওয়াশিংটন ইরানের বন্দরগুলোতে পাল্টা কঠোর অবরোধ আরোপ করেছে, যার মূল লক্ষ্য তেহরানের তেল রফতানি সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দেওয়া। যুদ্ধের শুরুর দিকে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ও সামরিক চাপের প্রভাবে রাজধানী তেহরানসহ ইরানের বিভিন্ন শহরের পেট্রোল পাম্পগুলোতে দীর্ঘ সারি তৈরি হতে দেখা গিয়েছিল।