বন্ধ করুন
এমপি নজরুলের স্ত্রীর আত্মহত্যা: কারাগারে চালক ওবায়দুর
ডিজাইন:
100%
ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ
দৈনিক পত্রিকা


দৈনিক পত্রিকা ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ

ইপেপার সংস্করণ ১৫ অক্টোবর ২০২৬ দৈনিক পত্রিকা

Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ


এমপি নজরুলের স্ত্রীর আত্মহত্যা: কারাগারে চালক ওবায়দুর


মহাকল্লোল নিউজ ডেস্ক
মহাকল্লোল নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৫ অক্টোবর ২০২৬ প্রিন্ট:
এমপি নজরুলের স্ত্রীর আত্মহত্যা: কারাগারে চালক ওবায়দুর
এমপি নজরুলের স্ত্রীর আত্মহত্যা: কারাগারে চালক ওবায়দুর
Featured Image

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় তার ব্যক্তিগত গাড়িচালক ওবায়দুর রহমানকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। চার দিনের রিমান্ড শেষে আজ সোমবার তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম তাকে কারাগারে পাঠানোর এই আদেশ দেন। শেরেবাংলা নগর থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক রফিকুল ইসলাম বাসস’কে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে গত ১ অক্টোবর এই মামলায় তার চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রিপন হোসেন। গত ২০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় জাতীয় সংসদ ভবনের পার্শ্ববর্তী ন্যাম ভবনে এমপি নজরুলের ফ্ল্যাট থেকে তার দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়। ওই রাতে এমপি নজরুল ও তার স্ত্রী মাকসুদাকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। এরপর ২১ সেপ্টেম্বর আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে গাজী নজরুল ইসলাম, তার স্ত্রী মাকসুদা ইসলাম ও নজরুলের ব্যক্তিগত গাড়িচালক ওবায়দুর রহমানের বিরুদ্ধে শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা করেন মরিয়মের বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ। মামলায় তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০৬ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, গত জুনে শ্যালক ওবায়দুর রহমানের প্রত্যক্ষ প্ররোচনায় সংসদ সদস্য গাজী নজরুলের সঙ্গে বাদির বড় মেয়ে মরিয়মের বিয়ে হয়। ৫ নম্বর ন্যাম ভবনের ২০৩ নম্বর বাসায় নজরুল ও মাকসুদার সঙ্গে থাকতেন ১৯ বছর বয়সী মরিয়ম। বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে নজরুল ও মাকসুদা তাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন বলে মরিয়ম পরিবারকে জানিয়েছিলেন। গত ২০ সেপ্টেম্বর বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে নজরুল মোবাইলে বাদিকে দ্রুত বাসায় যেতে বলেন। সেখানে গিয়ে মরিয়মকে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলে থাকতে দেখেন বাবা মাসুম বিল্লাহ। লাশ উদ্ধারের সময় মেয়ের বিছানার ওপর তার লেখা একটি সুইসাইড নোট দেখতে পান তিনি।