বন্ধ করুন
মেক্সিকোর রহস্যময় পুতুলের দ্বীপ
ডিজাইন:
100%
ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ
দৈনিক পত্রিকা


দৈনিক পত্রিকা ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ

ইপেপার সংস্করণ ১৫ অক্টোবর ২০২৬ দৈনিক পত্রিকা

Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ


মেক্সিকোর রহস্যময় পুতুলের দ্বীপ


মহাকল্লোল নিউজ ডেস্ক
মহাকল্লোল নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৪ অক্টোবর ২০২৬ প্রিন্ট:
মেক্সিকোর রহস্যময় পুতুলের দ্বীপ
মেক্সিকোর রহস্যময় পুতুলের দ্বীপ
Featured Image

মেক্সিকো সিটির দক্ষিণে জোচিমিলকোর খালপথের একটি ছোট দ্বীপে গাছের ডালে পাখির বদলে ঝোলে শত শত পুতুল। একটির চোখ নেই, আরেকটির হাত-পা ভাঙা এবং রোদ-বৃষ্টিতে ক্ষয়ে যাওয়া এই স্থানটি আজ বিশ্বের মানুষের কাছে রহস্যময়। ১৯৫০-এর দশকে ডন জুলিয়ান সান্তানা বাররেরা নামক এক ব্যক্তি এই বিচ্ছিন্ন দ্বীপে বসবাস করতেন এবং সেখান থেকেই এই ঘটনার শুরু।

লোককথা অনুযায়ী, এলাকার কাছাকাছি খালে এক কিশোরী ডুবে মারা যাওয়ার পর সান্তানা তার আত্মার উপস্থিতি অনুভব করতে শুরু করেন। পরে পানিতে ভাসতে থাকা একটি পুতুল পেয়ে তিনি বিশ্বাস করেন এটি মেয়েটির আত্মাকে শান্ত করবে এবং তিনি তা গাছে ঝুলিয়ে দেন। এরপর তিনি আবর্জনা ও প্রতিবেশীদের কাছ থেকে পুরোনো পুতুল সংগ্রহ করে গাছে ঝুলিয়ে দিতে শুরু করেন।

প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, সান্তানা মনে করতেন এসব পুতুল দ্বীপটিকে অশুভ কিছু থেকে রক্ষা করবে এবং এটি তার কাছে প্রতিরক্ষার প্রতীক হয়ে উঠেছিল। তবে কিশোরীর সেই মৃত্যু বা তার কোনো নির্ভরযোগ্য পুলিশ রেকর্ড বা প্রমাণ নেই। এবিসি নিউজের প্রতিবেদনে এই গল্পকে মূলত প্রচলিত কাহিনি হিসেবেই তুলে ধরা হয়েছে।

২০০১ সালে যে জায়গায় সেই কিশোরী ডুবে মারা গিয়েছিল বলে সান্তানা বিশ্বাস করতেন, তার কাছাকাছিই তার মৃত্যু হয়। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ পরে দ্বীপটি সংরক্ষণ করে এবং আজ সেখানে যাওয়া মানুষেরা একটি গল্পের বাস্তব চিহ্ন দেখতে যান। হয়তো এর রহস্য কোনো ভূতের গল্পে নয়, বরং একজন মানুষের বিশ্বাসের মাঝেই লুকিয়ে আছে।s