সোমালিয়ার প্রেসিডেন্ট হাসান শেখ মাহমুদ আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, কোনো পরিস্থিতিতেই সোমালিয়ায় ইসরায়েলি উপস্থিতি গ্রহণ করা হবে না। তিনি ইসরায়েলকে একটি অস্থিতিশীলতাকারী শক্তি হিসেবে বর্ণনা করেছেন, যা আন্তর্জাতিক আইন মানে না। গত ডিসেম্বরে সোমালিল্যান্ডকে ইসরায়েলের স্বীকৃতি দেওয়ারও কঠোর সমালোচনা করেন তিনি।
প্রেসিডেন্ট মাহমুদ অভিযোগ করেন, ইসরায়েল বারবারা শহরে নৌঘাঁটি স্থাপন এবং বিমানবন্দর ব্যবহারের পরিকল্পনা করছে, যার মূল উদ্দেশ্য উপসাগরীয় দেশগুলোর কাছাকাছি যাওয়া। তিনি জানান, সোমালিল্যান্ডের বারবেরা বন্দরটি ইয়েমেনের বিপরীতে কৌশলগত বাব আল-মান্দেব প্রণালীর কাছাকাছি অবস্থিত। ইসরায়েলি এই পদক্ষেপগুলোকে তিনি বৃহত্তর ইসরায়েল প্রকল্পের অংশ বলে উল্লেখ করেছেন।
সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে সোমালিয়ার সবচেয়ে শক্তিশালী অংশীদার বলে অভিহিত করেন প্রেসিডেন্ট। তিনি জানান, আল-শাবাবের প্রধান শহরগুলোতে কোনো উপস্থিতি নেই এবং সোমালিয়ায় তাদের ক্ষমতা দখলের কোনো সুযোগ নেই। এছাড়া তিনি ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের সমালোচনা করে বলেন যে তারা অঞ্চলটিকে অস্থিতিশীল করে তুলছে।
আঞ্চলিক সম্পর্কের বিষয়ে প্রেসিডেন্ট মাহমুদ বলেন যে ইথিোপিয়ার সঙ্গে সোমালিয়ার সম্পর্ক ভালো রয়েছে এবং অর্থনৈতিক স্বার্থে যৌথ চুক্তির মাধ্যমে সমুদ্রের প্রবেশাধিকার পেতে কোনো আপত্তি নেই। সোমালিল্যান্ড ১৯৯১ সালে সোমালিয়া থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করলেও ইসরায়েলের স্বীকৃতি পাওয়ার আগে জাতিসংঘের কোনো সদস্য রাষ্ট্র এটিকে স্বীকৃতি দেয়নি।