বন্ধ করুন
গাইবান্ধার বালাসী ঘাট থেকে জামালপুরের বাহাদুরাবাদ ঘাট পর্যন্ত দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত
ডিজাইন:
100%
ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ
দৈনিক পত্রিকা


দৈনিক পত্রিকা ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ

ইপেপার সংস্করণ ১৫ অক্টোবর ২০২৬ দৈনিক পত্রিকা

Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ


গাইবান্ধার বালাসী ঘাট থেকে জামালপুরের বাহাদুরাবাদ ঘাট পর্যন্ত দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত


মোঃ শহীদুল ইসলাম শহীদ
মোঃ শহীদুল ইসলাম শহীদ সংবাদদাতাঃ গাইবান্ধা
প্রকাশ: ০৩ অক্টোবর ২০২৬ প্রিন্ট:
গাইবান্ধার বালাসী ঘাট থেকে জামালপুরের বাহাদুরাবাদ ঘাট পর্যন্ত দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত
গাইবান্ধার বালাসী ঘাট থেকে জামালপুরের বাহাদুরাবাদ ঘাট পর্যন্ত দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত
Featured Image

গাইবান্ধার বালাসী ঘাট থেকে জামালপুরের বাহাদুরাবাদ ঘাট পর্যন্ত দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শনিবার দুপুরে গাইবান্ধা তথা উত্তরবঙ্গবাসীর ব্যানারে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন–রোস্তম আলী, মোস্তাফিজুর রহমান, অতনু সাহা, শহীদুল হক, দীপঙ্কর সাহা বাপ্পা, হুনান হক্কানি, জাহিদ হাসান জীবন, জাহিদুল ইসলাম রানা, ফরিদুল ইসলাম রাখুসহ অনেকেই।

এসময় বক্তারা বলেন, বালাসী-বাহাদুরাবাদ রুটে সেতু নির্মাণ উত্তরবঙ্গের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি। একসময় এ রুটে রেল ফেরি চলাচল করলেও দীর্ঘ ২২ বছর ধরে তা বন্ধ রয়েছে। পরবর্তীতে নৌরুটটি পুনরায় চালুর লক্ষ্যে প্রায় ১৪৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ঘাট ও আধুনিক টার্মিনাল নির্মাণ করা হলেও নদীর নাব্যতা সংকট ও খনন-সংক্রান্ত সমস্যার কারণে এর সুফল পাচ্ছেন না সাধারণ মানুষ।

বক্তারা আরও বলেন, বালাসী-বাহাদুরাবাদ রুটে একটি স্থায়ী বহুমুখী সেতু নির্মাণ করা হলে কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, রংপুর, গাইবান্ধাসহ উত্তরবঙ্গের অন্তত আটটি জেলার সঙ্গে রাজধানী ঢাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও সহজ হবে। এতে যাতায়াতের দূরত্ব প্রায় ১৪০ থেকে ১৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত কমতে পারে বলে তারা দাবি করেন। একই সঙ্গে সময় ও জ্বালানি খরচ সাশ্রয়ের পাশাপাশি কৃষিপণ্য দ্রুত ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন বাজারে পরিবহন করা সম্ভব হবে।

এতে উত্তরবঙ্গের ব্যবসা-বাণিজ্য, কৃষি ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলেও দাবি করেন আন্দোলনকারীরা।

দীর্ঘদিনের এ দাবি বাস্তবায়নে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ না নেওয়া হলে উত্তরবঙ্গের সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে আরও বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।