বন্ধ করুন
১৪৯ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বায়োমেট্রিক হাজিরা চালুর উদ্যোগ মাধবপুরে
ডিজাইন:
100%
ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ
দৈনিক পত্রিকা


দৈনিক পত্রিকা ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ

ইপেপার সংস্করণ ১৫ অক্টোবর ২০২৬ দৈনিক পত্রিকা

Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ


১৪৯ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বায়োমেট্রিক হাজিরা চালুর উদ্যোগ মাধবপুরে


 স্বপন রবি দাশ
স্বপন রবি দাশ জেলা প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জ
প্রকাশ: ০২ অক্টোবর ২০২৬ প্রিন্ট:
১৪৯ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বায়োমেট্রিক হাজিরা চালুর উদ্যোগ মাধবপুরে
১৪৯ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বায়োমেট্রিক হাজিরা চালুর উদ্যোগ মাধবপুরে
Featured Image

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার ১৪৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বায়োমেট্রিক হাজিরার আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শেখ মো. রফিকুল ইসলাম।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা জানান।

শেখ মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, উপজেলার ১৪৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায় দেড় হাজার শিক্ষক কর্মরত। তাঁদের নিয়মিত তদারকি করা সীমিতসংখ্যক শিক্ষা কর্মকর্তার পক্ষে কঠিন। এ কারণে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর অংশ হিসেবে শিক্ষকদের বায়োমেট্রিক হাজিরা চালুর বিষয়টি নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করা হবে।

তিনি আরও বলেন, বায়োমেট্রিক হাজিরা চালু করতে অর্থের প্রয়োজন হবে। এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত চিঠি দেওয়া হবে।

তবে বর্তমানে শিক্ষকদের উপস্থিতি অনলাইনের মাধ্যমে নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা কবির হোসেন। তিনি বলেন, অনলাইন হাজিরার মাধ্যমে শিক্ষকদের উপস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। বায়োমেট্রিক হাজিরা চালুর বিষয়টি তাই আরও পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, কয়েকটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। এসব বিদ্যালয়ে নজরদারির জন্য ক্যামেরা ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

জগদীশপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি এমএম গউস বলেন, বায়োমেট্রিক হাজিরা চালু করা গেলে শিক্ষকদের উপস্থিতি ও জবাবদিহিতা পর্যবেক্ষণে সুবিধা হতে পারে। তবে এটি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় অর্থ ও অন্যান্য অবকাঠামোগত বিষয় বিবেচনায় নেওয়া দরকার।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ আলম বলেন, তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ থাকায় বিস্তারিত বলতে পারছেন না। তবে উদ্যোগটি বাস্তবায়নে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের পক্ষ থেকে সহযোগিতা করা হবে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের কর্মকর্তারা জানান, বায়োমেট্রিক হাজিরা চালু করার বিষয়টি বর্তমানে উদ্যোগ ও প্রস্তাবের পর্যায়ে রয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ও প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থান হলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।