বন্ধ করুন
বিশ্ব হার্ট দিবসে ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজের বিশেষ উদ্যোগ
ডিজাইন:
100%
ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ
দৈনিক পত্রিকা


দৈনিক পত্রিকা ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ

ইপেপার সংস্করণ ১৫ অক্টোবর ২০২৬ দৈনিক পত্রিকা

Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ


বিশ্ব হার্ট দিবসে ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজের বিশেষ উদ্যোগ


মহাকল্লোল নিউজ ডেস্ক
মহাকল্লোল নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০২ অক্টোবর ২০২৬ প্রিন্ট:
বিশ্ব হার্ট দিবসে ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজের বিশেষ উদ্যোগ
বিশ্ব হার্ট দিবসে ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজের বিশেষ উদ্যোগ
Featured Image

বিশ্ব হার্ট দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে হার্টের সুস্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতা এবং আধুনিক কার্ডিয়াক চিকিৎসাসেবা সহজলভ্য করার অঙ্গীকার নিয়ে মাসব্যাপী বিশেষ আয়োজন করেছে মাদানী অ্যাভিনিউ’র ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হসপিটাল। মঙ্গলবার বিশ্ব হার্ট দিবসে আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে ইউনাইটেড কার্ডিয়াক সেন্টারের সাফল্য, অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়। বুধবার সেলিব্রেটিং লাইফ, কেয়ার অ্যান্ড রিকভারি আয়োজনে এই হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়া রোগীদের সুস্থ হয়ে ওঠার অভিজ্ঞতা জানানো হয়।

বিশ্ব হার্ট দিবসের অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উপপরিচালক ডা. মোহাম্মদ ইব্রাহিম টিটন ও জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ডা. হাসিনা বানু। ডা. মোহাম্মদ ইব্রাহিম টিটন বলেন, ইউনাইটেড কার্ডিয়াক সেন্টারের দক্ষ চিকিৎসক দল ও আধুনিক প্রযুক্তি প্রমাণ করে যে উন্নতমানের কার্ডিয়াক চিকিৎসাসেবা দেশেই সম্ভব। দেশের ভেতরেই এই সেবা পাওয়ায় রোগীদের বিদেশে যাওয়ার বিপুল ব্যয় থেকে সাশ্রয় হবে।

অধ্যাপক ডা. হাসিনা বানু জানান, বাংলাদেশে হৃদরোগে আক্রান্তদের বেশিরভাগই বংশগত কারণে ঝুঁকিতে থাকেন, তাই পরবর্তী প্রজন্মকে ঝুঁকি মুক্ত রাখতে সাধারণ মানুষকে সচেতন করা আমাদের দায়িত্ব। অনুষ্ঠানে ইউনাইটেড হেলথকেয়ারের ম্যানেজিং ডিরেক্টর নিজামুদ্দিন হাসান রশিদ বাংলাদেশের স্বাস্থ্য সেবায় ইউনাইটেড গ্রুপের কমিটমেন্ট তুলে ধরেন। ৩০ সেপ্টেম্বরের অনুষ্ঠানে হৃদরোগের চিকিৎসা নেওয়া রোগীদের সংগ্রাম ও সুস্থ হয়ে ওঠার অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয় এবং অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফুটবল খেলোয়াড় তপু বর্মণ।

হৃদরোগ সচেতনতার এই মাসব্যাপী কার্যক্রম শুরু হয় দ্য ১০০ কিলোমিটার ওয়াকিং চ্যালেঞ্জ-এর মধ্য দিয়ে। এর পাশাপাশি, রোগী ও স্বজনদের জন্য কার্ডিয়াক হেলথ চেকআপের সুযোগ রাখা হয় এবং পরিবারে হৃদরোগের ইতিহাস থাকা ব্যক্তিদের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতন করা হয়। নিয়মিত খোঁজ নেওয়ার মাধ্যমে হাসপাতালটি রোগীর প্রতি তার দায়বদ্ধতা আরও এগিয়ে নিয়েছে।