সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের কর্তাব্যক্তিদের অনুধাবন করা উচিত যে, ফ্রাঙ্কফুর্ট বইমেলা সাধারণ কোনো বইয়ের দোকান বা কেবল বই প্রদর্শনের জায়গা নয়। এটি আন্তর্জাতিক প্রকাশনা শিল্পের ব্যবসায়িক যোগাযোগ, কপিরাইট বা অনুবাদ স্বত্ব বিনিময়, বিদেশি প্রকাশকদের সাথে নেটওয়ার্কিং এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতির এক বিশাল বৈশ্বিক কেন্দ্র। এখানে একটি দেশের উপস্থিতির অর্থ হলো বিশ্বমঞ্চে নিজেদের ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতিকে সগর্বে তুলে ধরা এবং নতুন অংশীদারত্ব তৈরি করা।
সময় এখনো পুরোপুরি ফুরিয়ে যায়নি। একটি রাষ্ট্রের সংস্কৃতি নীতি কখনোই আমলাতান্ত্রিক ফাইলে ধুলো জমতে পারে বৈদেশিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে। আন্তর্জাতিক প্রকাশকদের সঙ্গে সম্ভাব্য যোগাযোগের এই বিশাল সুযোগ কেন হেলায় হারানো হচ্ছে এবং কেন দূতাবাসের চিঠির জবাব দেওয়া হচ্ছে না-সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়কে অবিলম্বে বিষয়টি নিয়ে ভাবা উচিৎ।