নিউ ইয়র্কে এক অনুষ্ঠানে মার্কিন নীতির কঠোর সমালোচনা করেছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। তিনি বলেন, আমেরিকা ভারতের সন্ত্রাসবাদ ও বাণিজ্য সংক্রান্ত উদ্বেগগুলোর প্রতি সংবেদনশীল নয়। পারস্পরিক বোঝাপড়ার অভাবে ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্পর্কে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে।
গত মে মাসে পাকিস্তানের সঙ্গে চার দিনের যুদ্ধের পর ট্রাম্প যুদ্ধবিরতির দাবি করলে ভারত ক্ষুব্ধ হয়। এছাড়া ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন বৈশ্বিক শুল্ক এবং রুশ তেল কেনায় ১০০ শতাংশ শুল্কের হুমকি দুই দেশের সম্পর্ককে জটিল করে তুলেছে। ভারতের সাবেক কূটনীতিক অজয় বিসারিয়া জানান, ভারত এখন আমেরিকার বুলিংয়ের বিরুদ্ধে আরও প্রকাশ্য অবস্থান নিচ্ছে।
অভিবাসন নীতি এবং এইচ১বি ভিসা নিয়ে ট্রাম্পের কঠোর অবস্থানের কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে মার্কিনবিরোধী মনোভাব বাড়ছে। আগামী বছর রাজ্য নির্বাচনকে সামনে রেখে মোদী সরকারের ওপর অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক চাপও রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতি সামলে দুই দেশ সম্পর্ক পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন প্রশাসনের অনিয়মিত পররাষ্ট্রনীতির কারণেই এই সম্পর্কের অবনতি ঘটেছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে ভারতের কৌশল হলো ট্রাম্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার অপেক্ষা করা। তবে একটি দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন হলে সম্পর্ক আবার স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।