আজ ১ অক্টোবর আন্তর্জাতিক কফি দিবস পালিত হচ্ছে। কফি শিল্পের সঙ্গে সম্পৃক্ত সবার কর্মপ্রচেষ্টার বৈশ্বিক স্বীকৃতিস্বরূপ এই দিনটি পালন করা হয়। দিনটির মূল উদ্দেশ্য কৃষক থেকে কোম্পানি পর্যন্ত সব স্তরের মানুষের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা। আন্তর্জাতিক কফি সংস্থা ২০১৪ সাল থেকে ১ অক্টোবরকে এই দিবস হিসেবে ঘোষণা করে এবং ২০১৫ সালে ইতালিতে প্রথম এটি উদযাপিত হয়।
বিশ্বে কফি উৎপাদনে শীর্ষ দেশ ব্রাজিল যা বিশ্ব সরবরাহের একটি বড় অংশ সরবরাহ করে। এছাড়া ভিয়েতনাম বিশ্বের উৎপাদনের প্রায় ২০ শতাংশের জন্য দায়ী এবং দ্বিতীয় বৃহত্তম উৎপাদক। অন্যান্য শীর্ষস্থানীয় দেশের মধ্যে রয়েছে কলম্বিয়া, ইন্দোনেশিয়া এবং ইথিওপিয়া। তবে কফি পানের দিক থেকে সবার চেয়ে এগিয়ে রয়েছে ফিনল্যান্ডের মানুষ।
নবম শতাব্দীর এক রোমাঞ্চকর লোকগাথায় ইথিওপিয়ার এক মেষপালক কালদির ছাগলের মাধ্যমে কফির আবিষ্কারের কথা বলা হয়েছে। পরে ইয়েমেন ও অটোমান সাম্রাজ্যের হাত ধরে তা ইউরোপসহ বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। উচ্চমাত্রায় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ এই পানীয়টি বর্তমানে শুধু তৃষ্ণা নিবারণ নয়, বরং সামাজিকতা ও সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ।