বন্ধ করুন
বাণিজ্যিক নবায়নযোগ্য বিদ্যুতের ক্রয়মূল্য নির্ধারণ
ডিজাইন:
100%
ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ
দৈনিক পত্রিকা


দৈনিক পত্রিকা ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ

ইপেপার সংস্করণ ১৫ অক্টোবর ২০২৬ দৈনিক পত্রিকা

Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ


বাণিজ্যিক নবায়নযোগ্য বিদ্যুতের ক্রয়মূল্য নির্ধারণ


মহাকল্লোল নিউজ ডেস্ক
মহাকল্লোল নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ প্রিন্ট:
বাণিজ্যিক নবায়নযোগ্য বিদ্যুতের ক্রয়মূল্য নির্ধারণ
বাণিজ্যিক নবায়নযোগ্য বিদ্যুতের ক্রয়মূল্য নির্ধারণ
Featured Image

বেসরকারি খাতে নবায়নযোগ্য জ্বালানিভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়াতে ২০২৫ সালের অক্টোবরে ‘নবায়নযোগ্য জ্বালানিভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনে বেসরকারি অংশগ্রহণ বাড়ানোর নীতি, ২০২৫’ গেজেট আকারে প্রকাশ করে সরকার। এ নীতিতে প্রথমবারের মতো বেসরকারি খাতে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিচালনা, বিদ্যুৎ ক্রেতার সঙ্গে সরাসরি কেনাবেচার চুক্তি এবং জাতীয় গ্রিড ব্যবহারের আইনি কাঠামো দেওয়া হয়েছে। সৌর, বায়ু, জীবভর ও বর্জ্য থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ পরিচ্ছন্ন জ্বালানিভিত্তিক কেন্দ্রগুলোকে ‘সবুজ বাণিজ্যিক বিদ্যুৎকেন্দ্র’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।

নীতিমালা অনুযায়ী, বাণিজ্যিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানকে নিজেদের উদ্যোগে গ্রাহক সংগ্রহ করতে হবে এবং উৎপাদিত বিদ্যুতের ২০ শতাংশ সরকার কিনবে। কোনও নির্দিষ্ট গ্রাহক কোনও সময়ে বিদ্যুৎ নিতে না চাইলে ওই বিদ্যুৎ সাময়িকভাবে পিডিবি কিনে নেবে। বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন, গ্রাহক সংগ্রহসহ সংশ্লিষ্ট সব ধরনের কাজ বিনিয়োগকারীকে নিজ দায়িত্বে করতে হবে। এছাড়া এ ধরনের বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিচালনার জন্য বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের কাছ থেকে উৎপাদন লাইসেন্স নিতে হবে।

বাণিজ্যিক ভিত্তিতে উৎপাদিত নবায়নযোগ্য বিদ্যুতের সরকারি ক্রয়মূল্য নির্ধারণ করে দিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন। বুধবার সন্ধ্যায় এক আদেশে বিইআরসি এ মূল্য নির্ধারণ করে। দুটি ভিন্ন সঞ্চালন লাইনের ক্ষেত্রে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের ক্রয়মূল্য ৬ টাকা ৯৮ পয়সা থেকে ৭ টাকা ১১ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। ৩৩ কেভি সঞ্চালন লাইনের বিদ্যুতের ক্রয়মূল্য প্রতি ইউনিট ৬ টাকা ১৯৯৮ পয়সা এবং ১৩২ কেভি সঞ্চালন লাইনের জন্য ৭ টাকা ১১ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিইআরসির আদেশে বলা হয়েছে, কোনও বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী ইউনিট অন্য কোনও প্রতিষ্ঠানের গ্রিড বা সঞ্চালন লাইন ব্যবহার করলে প্রতি ইউনিটের জন্য ১ টাকা ২২ পয়সা ওপেন অ্যাক্সেস ট্যারিফ দিতে হবে। এছাড়া ছয়টি প্রতিষ্ঠানের বিতরণ লাইন ব্যবহার করলে প্রতি ইউনিটে আলাদা মাশুল দিতে হবে। এর সঙ্গে সঞ্চালন লাইন ব্যবহার করা হলে প্রতি ইউনিটে আরও ৩৮ পয়সা দিতে হবে এবং সিঙ্গেল বায়ার হিসেবে পুরো বিদ্যুৎ ব্যবস্থা মনিটরিংয়ের জন্য পিডিবি প্রতি ইউনিটে আরও ৫ পয়সা পাবে।