ইয়েমেনের পশ্চিম উপকূল এবং বাব আল-মান্দেব প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর হুথিদের সামরিক সক্ষমতা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সেপ্টেম্বরে মোখা, ধুবাব এবং মায়ুন দ্বীপ দখলের মাধ্যমে হুথিরা ইয়েমেনের পশ্চিম উপকূলে নিজেদের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে।
জাতিসংঘের একটি গোপন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, আইআরজিসি, হিজবুল্লাহ এবং ইরাকি বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় হুথিরা একটি স্থানীয় গোষ্ঠী থেকে শক্তিশালী সামরিক বাহিনীতে পরিণত হয়েছে। তবে ইয়েমেন বিশেষজ্ঞ নিকোলাস ব্রুমফিল্ডের মতে, ইরানের সহায়তা থাকলেও হুথিদের সাম্প্রতিক অভিযানে তাদের নিজস্ব প্রায় ৭৬ হাজার যোদ্ধা অংশ নিয়েছে।
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান হুথিদের সাথে ইরানের সরাসরি সম্পৃক্ততার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তেহরান এবং হুথি উভয়ই দাবি করেছে যে, ইয়েমেনের বিদ্রোহী গোষ্ঠীটি সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
সৌদি আরব এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই এই সামরিক অগ্রগতি ইয়েমেন সংকটকে আরও জটিল করে তুলেছে। সৌদি সমর্থিত সরকারি বাহিনীর বিরুদ্ধে হুথিদের এই জয় আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।