বন্ধ করুন
বিদেশী এয়ারলাইন্সের টিকিটে পেমেন্ট সুবিধা বাড়াল ব্যাংক
ডিজাইন:
100%
ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ
দৈনিক পত্রিকা


দৈনিক পত্রিকা ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ

ইপেপার সংস্করণ ১৫ অক্টোবর ২০২৬ দৈনিক পত্রিকা

Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ


বিদেশী এয়ারলাইন্সের টিকিটে পেমেন্ট সুবিধা বাড়াল ব্যাংক


মহাকল্লোল নিউজ ডেস্ক
মহাকল্লোল নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ প্রিন্ট:
বিদেশী এয়ারলাইন্সের টিকিটে পেমেন্ট সুবিধা বাড়াল ব্যাংক
বিদেশী এয়ারলাইন্সের টিকিটে পেমেন্ট সুবিধা বাড়াল ব্যাংক
Featured Image

বিদেশী এয়ারলাইনসের কাছ থেকে এয়ার টিকিট কেনার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক কার্ডে অর্থ পরিশোধের সুযোগ বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সোমবার ২৮ সেপ্টেম্বর জারিকৃত ৩৯ নম্বর সার্কুলারের মাধ্যমে এই সুবিধা চালু করা হয়, যা ২০২৫ সালের ১৯ নভেম্বরে জারিকৃত ৪৭ নম্বর এফইপিডি সার্কুলারের বর্ধিত রূপ। নতুন এই ব্যবস্থার অধীনে বাংলাদেশে পরিচালিত বিদেশী এয়ারলাইনসগুলো বিমান টিকিটের বিপরীতে আন্তর্জাতিক কার্ডের মাধ্যমে পেমেন্ট গ্রহণ করতে পারবে।

সার্কুলারের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিধান হলো, এ সুবিধার আওতায় কেনা টিকিটের মূল্য ব্যক্তির বার্ষিক ভ্রমণসীমার বাইরে বিবেচিত হবে। এসব টিকিট কেনার অর্থ ব্যক্তির প্রচলিত বার্ষিক ভ্রমণ কোটার সাথে সমন্বয় করা হবে না। এই লেনদেনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক টিকিট কেনার পর কার্ড রিওপেন বা রিপ্রভিশনিং ও রিপ্লেনিশমেন্টের নিয়ম নির্ধারণ করে দিয়েছে।

অনুমোদিত ডিলার ব্যাংকগুলো কার্ডের স্টেটমেন্টের সাথে টিকিট কেনার বিষয়টি যাচাই করে এবং সঠিক মার্চেন্ট ক্যাটাগরি কোডের আওতায় লেনদেন হয়েছে কি না তা নিশ্চিত করবে। সুবিধাটি যেসব অনুমোদিত বিদেশী এয়ারলাইনসের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে তার মধ্যে রয়েছে এয়ার ইন্ডিয়া, এমিরেটস, কাতার এয়ারওয়েজ, সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সসহ ১৭টি এয়ারলাইনস।

২০২৫ সালের ৪৭ নম্বর সার্কুলারের যেসব বিধান বিশেষভাবে সংশোধন করা হয়নি, সংশ্লিষ্ট নথিপত্র ও নিয়মানুগ বাধ্যবাধকতাসহ অন্যান্য নিয়মাবলি আগের মতোই কার্যকর থাকবে। এছাড়া যেসব বিদেশী এয়ারলাইনস অফশোর সেটেলমেন্ট ব্যবস্থার মাধ্যমে টিকিটের অর্থ গ্রহণ করবে, তাদের সেই আয় নিজ দেশে রেমিট্যান্স হিসেবে পাঠানোর হিসাব নির্ধারণের সময় সমন্বয় করতে হবে। ব্যাংকগুলোকে এই ব্যবস্থার অধীনে টিকিট ক্রয়ের সমস্ত তথ্য বাংলাদেশ ব্যাংকের ট্রানজেকশন মনিটরিং মডিউলের মাধ্যমে রিপোর্ট করতে হবে।