বন্ধ করুন
বিশ্ব হার্ট দিবস: হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি ও সচেতনতা
ডিজাইন:
100%
ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ
দৈনিক পত্রিকা


দৈনিক পত্রিকা ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ

ইপেপার সংস্করণ ১৫ অক্টোবর ২০২৬ দৈনিক পত্রিকা

Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ


বিশ্ব হার্ট দিবস: হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি ও সচেতনতা


মহাকল্লোল নিউজ ডেস্ক
মহাকল্লোল নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ প্রিন্ট:
বিশ্ব হার্ট দিবস: হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি ও সচেতনতা
বিশ্ব হার্ট দিবস: হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি ও সচেতনতা
Featured Image

প্রিভেন্টিভ মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. লেলিন চৌধুরী বলেন, হৃদ্‌যন্ত্রের ধমনিতে কোলেস্টেরল জমে রক্ত চলাচলের পথ সরু হয়ে যাওয়ার কারণে হার্ট অ্যাটাক হয়। একপর্যায়ে ধমনি বন্ধ হয়ে রক্ত ও অক্সিজেন পৌঁছাতে না পারলে হার্ট অ্যাটাক হতে পারে। বাংলাদেশের মানুষের খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনা প্রয়োজন বলে জানান তিনি। ঐতিহ্যগত শর্করাজাতীয় খাবারের ওপর বেশি নির্ভরতা এবং পর্যাপ্ত আমিষ ও শাকসবজি না খাওয়ার ফলে নানা স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর ২০২৩ সালের হিসাব অনুযায়ী, দেশে মানুষের গড় আয়ু ৭২ দশমিক ৩ বছর এবং ২০২২ সালে এ হার ছিল ৭২ দশমিক ৪ বছর। একই জরিপে মৃত্যুর শীর্ষ কারণগুলোর মধ্যে হৃদ্‌রোগকে প্রথম এবং মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ বা স্ট্রোককে দ্বিতীয় কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বয়সের পাশাপাশি উচ্চ রক্তচাপ, কোলেস্টেরল বৃদ্ধি, অতিরিক্ত ওজন, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, ধূমপান, মদ্যপান, শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা ও দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি বাড়ায়।

আজ ২৯ সেপ্টেম্বর পালিত হচ্ছে বিশ্ব হার্ট দিবস এবং এবারের প্রতিপাদ্য হলো ‘একটি বিট মিস করবেন না—হৃদ্‌রোগ স্পষ্ট দৃষ্টিতে লুকিয়ে থাকতে পারে’। হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি কমাতে স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া, অতিরিক্ত লবণ ও চর্বিযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলা এবং নিয়মিত শরীরচর্চা করা জরুরি। বুকে চাপ, শ্বাসকষ্ট, অতিরিক্ত ঘাম বা হঠাৎ দুর্বলতার মতো হার্ট অ্যাটাকের সতর্ক সংকেত দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া প্রয়োজন।

হার্টের সুস্থতার জন্য চিকিৎসকেরা খাবারে অতিরিক্ত লবণ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেন কারণ রান্না করা ছাড়াও প্যাকেটজাত খাবারে অতিরিক্ত লবণ থাকে। অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাসের পাশাপাশি শারীরিক পরিশ্রমের অভাবও ঝুঁকি বাড়ায়। নিয়মিত হাঁটা বা অন্যান্য শারীরিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে শরীর সক্রিয় রাখার ওপর জোর দেন বিশেষজ্ঞরা।