যুদ্ধবিরতির পর ইরানে শিশুরা শ্রেণিকক্ষে ফিরলেও অভিভাবকদের মনে যুদ্ধ পুনরায় শুরু হওয়ার তীব্র আতঙ্ক ও উদ্বেগ রয়ে গেছে। তেহরানের এক অভিভাবক মেইসাম আল জাজিরাকে জানান, যুদ্ধ আবার শুরু হলে স্কুল থেকে সন্তানকে আনতে কতটা সময় লাগবে, তা নিয়ে তিনি সবসময় শঙ্কিত থাকেন।
মিনার শহরের শিক্ষক ফারামারজ এই স্কুল হামলায় তাঁর স্ত্রী ও এক সন্তানকে হারিয়েছেন। তিনি জানান, তাঁর সাত বছর বয়সী মেয়ের স্কুলব্যাগে একমুঠো স্বপ্ন ছিল যা আজ আর নেই এবং তাঁর জীবন স্বাভাবিক হবে না।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধের সময় ১ হাজার ২৮৮টি স্কুল প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মিনার শহরের শাজারায়ে তাইয়েবেহ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রথম দিনে বোমা হামলায় ১২০ শিশু নিহত হয়েছিল এবং স্কুলটি এখনও ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়ে আছে।
নতুন করে যুদ্ধ শুরু হওয়ার আশঙ্কায় শিক্ষা মন্ত্রণালয় অনলাইন শিক্ষার অবকাঠামো আরও জোরদার করেছে। তবে শিক্ষক ও অভিভাবকরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, দীর্ঘ সময় অনলাইন শিক্ষা চললে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও মানসিক বিকাশে মারাত্মক প্রভাব পড়তে পারে।