হরমুজ প্রণালী নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কূটনৈতিক সমঝোতার সম্ভাবনা আরও দূরে সরে গেছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যুদ্ধ শুরু করার পর থেকেই এই জলপথে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।
মার্কিন জ্বালানি সচিব ক্রিস রাইট ফক্স নিউজকে জানিয়েছেন, ট্রানজিটে থাকা আকরিক তেলের রানিং অ্যাভারেজ ছিল প্রতিদিন প্রায় ১৩ মিলিয়ন ব্যারেল। তবে তেহরান দাবি করেছে যে, জলপথের ওপর নিয়ন্ত্রণ দেখাতে যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ ট্রাফিক নিয়ে ভুল তথ্য দিচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাাম্প ইরানের কূটনৈতিক প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করার পর প্রণালীতে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। ওমানের সঙ্গে চূড়ান্ত করা দ্বিপক্ষীয় ব্যবস্থার মাধ্যমেই কেবল প্রণালীটি পুনরায় চালু করতে হবে বলে জানিয়েছে তেহরান।
ইরানি সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান মুখপাত্র আবুলফজল শেশারকি সতর্ক করে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালীতে আরও হস্তক্ষেপ করলে কড়া জবাব দেওয়া হবে। এদিকে কিং লণ্ডনের সহযোগী অধ্যাপক আন্দ্রেয়াস ক্রিগ জানিয়েছেন, ইরানের সমুদ্রপথে হামলার কৌশল এই দ্বন্দ্বের অর্থনৈতিক ব্যয় সীমানা ছাড়িয়ে ছড়িয়ে দিয়েছে।