রাজধানীজুড়ে ডেঙ্গুর ভয়াবহ বিস্তারে এডিস মশার কামড় থেকে বাঁচতে মশারি ও মশার কয়েলের চাহিদা বহুলাংশে বেড়েছে। সাধারণ কাপড়ের দোকানেও এখন স্থান করে নিয়েছে নানা আকারের মশারি এবং বিক্রি বেড়েছে দ্বিগুণ পর্যন্ত। তবে বাজারে নানা নামের মশারির চড়া দাম সাধারণ ও নিম্ন আয়ের মানুষের পকেটে বড় ধরনের টান ফেলছে।
মায়ের দোয়া বেডিং স্টোর-এর মালিক আবু দাউদ জানান, বাজারে বোনাফাইড ম্যাজিক মশারির দাম ৫৭০ থেকে ৭৫০ টাকা এবং প্রিমিয়াম মানের বোনাফাইড অ্যাঞ্জেল প্লাস মশারির দাম প্রায় ১ হাজার ৬০০ টাকা। নূরানী শাড়ী হাউজের কাউসার পাটওয়ারী জানান, আগে দিনে দু-একটি মশারি বিক্রি হলেও এখন দিনে ১৫ থেকে ১৬টি বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে পাড়া-মহল্লার দোকানগুলোতে নামিদামি ও বেনামি কয়েলের বিক্রি বহুগুণ বেড়েছে এবং ৫০ থেকে ৯০ টাকায় এসব কয়েলের প্যাকেট বিক্রি হচ্ছে। মুদি দোকানদার মাসুম আহমেদ জানান, আগে যেখানে মাসে এক কার্টন কয়েল বিক্রি করা কঠিন ছিল, এখন সপ্তাহে এক কার্টন শেষ হয়ে যাচ্ছে।
সিটি করপোরেশনের স্প্রে কার্যকর না হওয়ায় বাধ্য হয়েই অতিরিক্ত খরচ গুনে কয়েল ও মশারি ব্যবহার করছেন নগরবাসী। ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ায় সাধারণ কাপড়ের দোকানেও এখন সারি সারি মশারি ঝুলতে দেখা যাচ্ছে এবং হাসপাতাল ও ঘরে ঘরে দেখা দিয়েছে তীব্র উদ্বেগ।