ওয়াশিংটনের সঙ্গে আগের দফার আলোচনা এবং পরবর্তীতে আক্রমণ ও নিষেধাজ্ঞার পর ইরানের আর সেই আলোচনায় কোনো ভরসা নেই বলে আল জাজিরাকে জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। যুদ্ধ বন্ধে তাদের সর্বশেষ প্রস্তাবের জবাবের অপেক্ষায় থাকা তেহরান মনে করে, আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য কোনো বিদেশি মোড়লের প্রয়োজন নেই।
গত ফেব্রুয়ারি মাসের শেষের দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার মধ্য দিয়ে এই সংঘাতের সূচনা হয়। হরমুজ প্রণালী বন্ধ করার বিষয়ে পেজেশকিয়ান জানান, ইরান পথ বন্ধ করার আগেই যুক্তরাষ্ট্র রুটগুলো বন্ধ করে দিয়েছিল এবং এটি একটি স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া।
যুদ্ধ বন্ধ এবং আলোচনা সফল হলে বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য এই জলপথ পুনরায় খুলে দেওয়া হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। পেজেশকিয়ান আরও বলেন, গত ২০০ বছরে ইরান কোনো দেশ আক্রমণ করেনি এবং এই সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রই আগ্রাসী ভূমিকা পালন করেছে।
যুদ্ধবিরতি ও সংকট নিরসনে কাতার ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারীরা ওয়াশিংটনের কাছে ইরানের বার্তা পৌঁছে দিচ্ছেন বলে জানান তিনি। যুদ্ধ সমাপ্তি এবং সাত দিনের মধ্যে হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ার একটি প্রস্তাব নিয়ে পেজেশকিয়ান ও ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি এই সপ্তাহে জাতিসংঘ সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্র সফর করেছেন।