এলপিজি আমদানিতে জাহাজের প্রিমিয়াম এক লাফে প্রায় দ্বিগুণ হওয়ায় দেশের বাজারে সরবরাহ ব্যবস্থায় চাপ তৈরি হয়েছে। ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের বিইআরসি নির্ধারিত দাম ১ হাজার ৫৮৫ টাকা হলেও বাজারে তা বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ১৫০ টাকায়। অর্থাৎ নির্ধারিত দামের চেয়ে প্রতি সিলিন্ডারে ভোক্তাকে বাড়তি গুনতে হচ্ছে ৫৬৫ টাকা।
আমদানিকারকরা বিইআরসিকে জানিয়েছেন, এলপিজি পরিবহনে জাহাজ ভাড়া ও ট্রেডারের প্রিমিয়াম বেড়ে টনপ্রতি ৩০০ ডলারে পৌঁছেছে। অথচ গত মাসে বিইআরসি এ খাতে ১৬০ ডলার নির্ধারণ করেছিল। বাড়তি ব্যয়ে পণ্য আমদানিতে অনাগ্রহ দেখাচ্ছেন আমদানিকারকদের একটি অংশ।
তবে এলপিজি সরবরাহে সংকটের কথা মানতে নারাজ বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ। তিনি বলেন, প্রতি মাসে দেশে ১ লাখ ১০ হাজার থেকে ১ লাখ ৩০ হাজার টন এলপিজি আসে অথচ আগস্টে এসেছে ১ লাখ ৫৭ হাজার টন এবং সেপ্টেম্বরে এখন পর্যন্ত এসেছে ১ লাখ ১৯ হাজার টন।
লোয়াবের সাবেক সভাপতি ও ব্যবসায়ী আজম জে চৌধুরী বলেন, বেশি দামে এলপিজি এনে কম দামে লোকসানে বিক্রি করা কোনও ব্যবসায়ীর পক্ষে সম্ভব নয়। পাইপলাইনের গ্যাসের সরবরাহ কমে যাওয়ায় আবাসিক গ্রাহকদের একটি অংশ রান্নার কাজে এলপিজির ওপর নির্ভর করছেন।