বন্ধ করুন
এডিস মশার বড় প্রজননস্থল দুই বাড়ির ফাঁকা স্থান ও ফুলের টব
ডিজাইন:
100%
ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ
দৈনিক পত্রিকা


দৈনিক পত্রিকা ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ

ইপেপার সংস্করণ ১৫ অক্টোবর ২০২৬ দৈনিক পত্রিকা

Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ


এডিস মশার বড় প্রজননস্থল দুই বাড়ির ফাঁকা স্থান ও ফুলের টব


মহাকল্লোল নিউজ ডেস্ক
মহাকল্লোল নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ প্রিন্ট:
এডিস মশার বড় প্রজননস্থল দুই বাড়ির ফাঁকা স্থান ও ফুলের টব
এডিস মশার বড় প্রজননস্থল দুই বাড়ির ফাঁকা স্থান ও ফুলের টব
Featured Image

নগরীর দুই ভবনের মধ্যবর্তী স্যাঁতসেঁতে স্থান থেকে শুরু করে ঘরের বারান্দায় রাখা ফুলের টব ও পাত্রে জমে থাকা পানিতে এডিস মশা বংশবৃদ্ধি করছে। ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের জরিপ অনুযায়ী, বহুতল ভবনে সবচেয়ে বেশি ৩৫.২৩ শতাংশ লার্ভা পাওয়া গেছে। এছাড়া জমে থাকা মেঝের পানি, বালতি ও প্লাস্টিকের ড্রামকে এডিসের অন্যতম প্রধান আঁতুড়ঘর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। চলতি বছরের সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়েই ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ২০২২ সালের পুরো বছরের রেকর্ডকে ছাপিয়ে গেছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ইতিমধ্যে ৬৭ হাজার ছাড়িয়েছে এবং প্রাণহানি ঘটেছে দুইশতেরও বেশি মানুষের। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, বছরের শেষ প্রান্তিক অর্থাৎ অক্টোবর ও নভেম্বরে সংক্রমণ ও রোগী ভর্তির হার আরও আশঙ্কাজনকভাবে বাড়তে পারে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের পুরো বছরে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিলেন ১ লাখ ২ হাজার ৮৬১ জন এবং মৃত্যু হয়েছিল ৪১৩ জনের।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ও কীটতত্ত্ববিদ কবিরুল বাশার বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণের প্রধান কাজ হচ্ছে এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা ও নিয়মিত নজরদারি চালানো। শুধু রোগী শনাক্তকরণ ও চিকিৎসার প্রস্তুতি নিয়ে সংক্রমণের মূল উৎস বন্ধ করা সম্ভব নয়। তার মতে, মহানগরে ডেঙ্গু এখন আর কেবল মৌসুমি সমস্যা নয়; এটি কাঠামোগত নগর স্বাস্থ্য সংকটে পরিণত হয়েছে।

গত ১১ বছরে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন মশক নিয়ন্ত্রণে প্রায় ৮২৫ কোটি টাকা ব্যয় করলেও ডেঙ্গুর পুনরাবৃত্তি ঠেকানো যায়নি। প্রতি বছরই ধোঁয়া ছিটানো, লার্ভিসাইডিং ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। তবে, বড় অঙ্কের এই ব্যয় এডিস মশার প্রজননস্থল স্থায়ীভাবে ধ্বংস করতে কোনো কার্যকর ভূমিকা রাখছে কি না, তা নিয়ে বড় প্রশ্ন উঠেছে।