বাংলাদেশসহ মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়ায় বিদ্যালয়ে মৌলিক পানি সেবার আওতা ২০১৫ সালের ৫৬ শতাংশ থেকে বেড়ে ২০২৫ সালে ৮৬ শতাংশ হয়েছে। একই সময়ে স্যানিটেশন সেবা ৫৭ থেকে বেড়ে ৭৫ শতাংশে উন্নীত হয়েছে বলে ইউনিসেফের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং ইউনিসেফের যৌথ পর্যবেক্ষণ কর্মসূচি জেএমপির প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে বিদ্যালয়ের নানা চিত্র উঠে এসেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশে গত এক দশকে নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন ও হাইজিন সুবিধায় বড় ধরনের অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। ২০১৫ সালে দেশের ৫৯ শতাংশ বিদ্যালয়ে মৌলিক স্যানিটেশন সুবিধা থাকলেও ২০২৫ সালে তা বেড়ে ৯৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে মৌলিক পানি সেবা ৭৫ শতাংশ থেকে বেড়ে ৯৪ শতাংশ এবং সাবান-পানিসহ মৌলিক হাইজিন সুবিধা ৩৭ শতাংশ থেকে বেড়ে ৮৩ শতাংশ হয়েছে।
তবে হাইজিনে শহর ও গ্রামের ব্যবধান এবং গ্রামীণ বিদ্যালয়ে পানি সেবার নিম্নমুখী প্রবণতা নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ২০২৫ সালে শহরের বিদ্যালয়ের পানি সেবা ৮৩ থেকে বেড়ে ৮৯ শতাংশ হলেও গ্রামে ৯১ থেকে কমে ৮৫ শতাংশ হয়েছে। তাছাড়া হাইজিনের ক্ষেত্রে শহরের ৬৩ শতাংশ বিদ্যালয়ের তুলনায় গ্রামে ৫১ শতাংশ হাত ধোয়ার সুবিধা রয়েছে।
বিদ্যালয়ের স্তরভেদেও হাইজিন সুবিধার ক্ষেত্রে ব্যতিক্রমী চিত্র পাওয়া গেছে যা প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে। ২০১৫ সালে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ২৯ শতাংশে মৌলিক হাইজিন সুবিধা থাকলেও ২০২৫ সালে তা বেড়ে ৭৫ শতাংশ হয়েছে। অন্যদিকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই হার ৩৭ শতাংশ থেকে বেড়ে ৯২ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।