বন্ধ করুন
মুগদা হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে উপচে পড়া ভিড় ও সংক্রমণের ঝুঁকি
ডিজাইন:
100%
ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ
দৈনিক পত্রিকা


দৈনিক পত্রিকা ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ

ইপেপার সংস্করণ ১৫ অক্টোবর ২০২৬ দৈনিক পত্রিকা

Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ


মুগদা হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে উপচে পড়া ভিড় ও সংক্রমণের ঝুঁকি


মহাকল্লোল নিউজ ডেস্ক
মহাকল্লোল নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ প্রিন্ট:
মুগদা হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে উপচে পড়া ভিড় ও সংক্রমণের ঝুঁকি
মুগদা হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে উপচে পড়া ভিড় ও সংক্রমণের ঝুঁকি
Featured Image

মুগদা হাসপাতালের ৬০ বেডের শিশু ওয়ার্ডে বর্তমানে ২৫০ থেকে ৩০০ রোগী ভর্তি রয়েছে। বিকেলের শিফটে ২৭০ শিশুর চিকিৎসার দায়িত্বে ছিলেন মাত্র ২ জন মেডিকেল অফিসার ও ৩ জন নার্স। হাম, ডেঙ্গু ও নিউমোনিয়াসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত শিশুদের একই জায়গায় রেখে চিকিৎসা দেওয়ায় সংক্রমণের বড় ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। ডেঙ্গু ওয়ার্ডেও তীব্র বেড সংকট রয়েছে এবং অনেক শিশুকে ফ্লোরে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

কুমিল্লার হোমনা থেকে আসা ৩ বছরের বাইজিদকে ডেঙ্গু ওয়ার্ডের বাইরে মেঝেতে রেখে চিকিৎসা দিতে হয়েছে এবং মাথার ওপর কোনো ফ্যান ছিল না। আরেক শিশু আইরিনকে হাসপাতালে ভর্তির পর ৪ দিন ফ্লোরে থাকতে হয়েছে এবং গরমে তার অস্থিরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। ডা. নুশরাত জানান, ডেঙ্গুতে আক্রান্ত অনেক রোগী ঢাকার বাইরে থেকে আসায় এবং নির্ধারিত গাইডলাইন মেনে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হলেও চিকিৎসকদের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হচ্ছে।

আইইডিসিআরের সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. মুশতাক হোসেন জানান, উপজেলা হাসপাতালে কোনো রোগী মারা গেলে চিকিৎসকরা মারধরের শিকার হন বলে তারা ঝুঁকি না নিয়ে ঢাকায় পাঠিয়ে দিচ্ছেন। তিনি আরও বলেন, হাসপাতাল হলো হামের অন্যতম হটস্পট এবং ডেঙ্গু রোগীরা হামে আক্রান্ত হলে পরিণতি ভয়ংকর হবে। অবিলম্বে উপজেলা ও বেসরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু চিকিৎসা নিশ্চিত এবং হাম রোগীদের আলাদা করার তাগিদ দেন তিনি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক ডা. মো. নুরুল ইসলাম জানান, ডেঙ্গু ও হামের রোগী অনেক বেশি থাকায় হাসপাতাল ব্যবস্থাপনায় সমস্যা হচ্ছে এবং জনবল সংকটের কারণে পর্যাপ্ত সেবা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। গত সপ্তাহে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, সংক্রমিত শিশুদের ৫৯ দশমিক ৪ শতাংশই বিভিন্ন স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র বা হাসপাতাল থেকে হামে আক্রান্ত হয়েছে। শয্যা স্বল্পতার কারণে একই শয্যায় একাধিক শিশু থাকায় এই সংক্রমণ ছড়াচ্ছে।

সোমবার বিকেলে মুগদা হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে দেখা যায়, হাম, ডেঙ্গু ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত শিশুদের একই জায়গায় রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। সংকটের কারণে অনেক শিশুকে ওয়ার্ডের বাইরে ফ্লোরে বা ইমার্জেন্সি বেডে রেখেই স্যালাইন দেওয়া হচ্ছে। ২৭০ জন রোগীর জন্য মাত্র দুজন চিকিৎসক ও তিনজন নার্স থাকায় চিকিৎসাসেবা দিতে গিয়ে তাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে।