স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের অধীন বিভিন্ন মেডিকেল কলেজের অধ্যাপক পদে নিয়োগের জন্য ১৪ জন চিকিৎসক প্রার্থীকে সাময়িকভাবে মনোনয়ন দিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। মেধাক্রমের ভিত্তিতে তাদের এ মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে এবং মঙ্গলবার পিএসসির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ক্যাডার) মাসুমা আফরীনের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, অধ্যাপক অ্যানেসথেসিওলজি পদে পাঁচজন, কার্ডিওলজিতে দুজন, থোরাসিক সার্জারিতে একজন, মাইক্রোবায়োলজিতে চারজন, রেসপিরেটরি মেডিসিনে একজন এবং সাইকিয়াট্রিতে একজনকে সাময়িকভাবে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। তবে ইউরোলজি, ইএনটি, পেডিয়াট্রিক ও ব্লাড ট্রান্সফিউশন পদে যোগ্য কোনো প্রার্থী না পাওয়ায় এসব পদে কাউকে মনোনয়ন দেওয়া সম্ভব হয়নি।
পিএসসি স্পষ্ট করে জানিয়েছে, এই সাময়িক মনোনয়ন অধ্যাপক পদে চাকরি পাওয়ার নিশ্চয়তা দেয় না এবং এর মাধ্যমে কোনো অধিকারও সৃষ্টি হবে না। স্বাস্থ্য পরীক্ষায় যোগ্য ঘোষণা এবং যথাযথ এজেন্সির মাধ্যমে প্রাক-নিয়োগ জীবনবৃত্তান্ত যাচাইয়ের পর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ হিসেবে মনোনীত প্রার্থীদের নিয়োগ দেবে।
সাময়িকভাবে মনোনীত কোনো প্রার্থী আবেদনপত্রে ভুল তথ্য দিলে, তথ্য গোপন করলে কিংবা জাল সনদ জমা দিলে বিজ্ঞাপনের শর্ত অনুযায়ী তার মনোনয়ন বাতিল হবে এবং ক্ষেত্রবিশেষে ফৌজদারি আইনে সোপর্দ করা হতে পারে। চাকরিতে নিয়োগের পরও এ ধরনের তথ্য প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার পাশাপাশি আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।