সাতক্ষীরা ৪ আসনের সংসদ সদস্য জি এম নজরুল ইসলাম দুপুরে খাওয়া দাওয়া শেষে বিশ্রামের পর দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মকে ডাকতে যান। স্ত্রীর রুমের দরজায় বেশ কয়েকবার ডাকার পর যখন দরজা খুলছিলো না তখন জানালা দিয়ে তাকিয়ে দেখে স্ত্রী গলায় ফাঁস দিয়ে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলে আছে। রোববার বিশ সেপ্টেম্বর বিকেলে এমন ঘটনার পর তিনি সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে খবর দেয়।
এর আগে, নজরুল ইসলাম তার দুই স্ত্রীকে নিয়ে দুপুরের খাবার খেয়েছেন। এরপর তারা বিকেল সাড়ে তিনটায় যে যার আলাদা আলাদা রুমে বিশ্রামের জন্য চলে যায়। পরে পাঁচটার পর নজরুল ইসলাম ছোট স্ত্রী মরিয়মকে ডাকতে গেলে দরজা বন্ধ পান এবং জানালা দিয়ে দ্বিতীয় স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান।
সংসদ সদস্যদের বাসভবন ন্যাম ভবনের পাঁচ নম্বর ভবনের দ্বিতীয় তলায় গিয়ে দেখা যায়, দুইশ তিন নম্বর রুমে সাতক্ষীরা চার আসনের সংসদ সদস্য দুই স্ত্রীসহ বসবাস করতেন। তার দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার পর রুমটির সামনে ক্রাইমসিন ফিতা লাগিয়ে দেওয়া হয় এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সুরতহাল করেন।
এ বিষয় ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার ডিসি ইবনে মিজান বলেন, ইতোমধ্যে মরদেহের সুরতহাল সম্পন্ন করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে পিবিআই ও সিআইডির ফরেনসিক দল এসে দরজা ভেঙ্গে মরদেহ নামিয়েছে। সুরতহাল শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হবে।