উৎপাদিত ও আমদানিকৃত তামাকযুক্ত সিগারেটের প্যাকেটে স্ট্যাম্প বা ব্যান্ডরোল ব্যবহারের পদ্ধতিতে নতুন বিধান যুক্ত করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। এ বিষয়ে উৎপাদিত বা আমদানিকৃত তামাকযুক্ত সিগারেটের মূল্য নির্ধারণসহ প্যাকেটে স্ট্যাম্প বা ব্যান্ডরোল ব্যবহার পদ্ধতি বিধিমালা ২০১৯ অধিকতর সংশোধন করা হয়েছে। গত ১৫ সেপ্টেম্বর জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয় এবং ১৬ সেপ্টেম্বর এটি বাংলাদেশ গেজেটের অতিরিক্ত সংখ্যায় প্রকাশিত হয়।
সংশোধিত বিধান অনুযায়ী সিগারেটের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য, প্যাকেটে থাকা শলাকার সংখ্যা, প্যাকেটের ধরন এবং নির্ধারিত ডিজাইনের ভিত্তিতে স্ট্যাম্প বা ব্যান্ডরোল ব্যবহার করতে হবে। নতুন টেবিল অনুযায়ী প্রতি ১০ শলাকার সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ৬৫ টাকা বা তদূর্ধ্ব হলে ১০ শলাকার শেল এন্ড স্লাইড প্যাকেটে হালকা সবুজ ডিজাইনের ব্যান্ডরোল ব্যবহার করতে হবে। একই মূল্যসীমায় ১০ ও ২০ শলাকার হার্ড অ্যান্ড সফট প্যাকেটে হালকা খয়েরি ডিজাইনের স্ট্যাম্প ব্যবহারের বিধান রাখা হয়েছে।
প্রতি ১০ শলাকার সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ৯২ টাকা বা তদূর্ধ্ব হলে ১০ শলাকার শেল অ্যান্ড স্লাইড প্যাকেটে হালকা গোলাপি ডিজাইনের ব্যান্ডরোল ব্যবহার করতে হবে। এ মূল্যসীমায় ১০ ও ২০ শলাকার হার্ড এন্ড সফট প্যাকেটে হালকা সবুজ ডিজাইনের স্ট্যাম্প ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে। এছাড়া প্রতি ১০ শলাকার সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ১৬০ টাকা বা তদূর্ধ্ব হলে ১০, ১২ ও ২০ শলাকার হার্ড অ্যান্ড সফট প্যাকেটে হালকা নীল ডিজাইনের স্ট্যাম্প ব্যবহার করতে হবে।
অন্যদিকে প্রতি ১০ শলাকার সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ২১০ টাকা বা তদূর্ধ্ব হলে ১০, ১২ ও ২০ শলাকার হার্ড অ্যান্ড সফট প্যাকেটে হালকা মেরুন ডিজাইনের স্ট্যাম্প ব্যবহারের বিধান করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে বিধি ৪ ও সংশোধিত বিধি ৫-এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে সংশ্লিষ্ট সিগারেটের প্যাকেটের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য, শলাকার সংখ্যা, প্যাকেটের প্রকৃতি ও নির্ধারিত ডিজাইন অনুযায়ী বিধি ৬-এর বিধান সাপেক্ষে স্ট্যাম্প বা ব্যান্ডরোল ব্যবহার করতে হবে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের আদেশক্রমে ভারপ্রাপ্ত সচিব ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আহসান হাবিব প্রজ্ঞাপনটিতে স্বাক্ষর করেছেন এবং সংশোধিত এ বিধান অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।