দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম ও তার স্ত্রী জাকিয়া পারভীনের পৃথকভাবে সম্পদ বিবরণী দাখিলের আদেশ অনুমোদন করেছে। ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে ঢাকা প্রধান কার্যালয়ের এক নিয়মিত মিডিয়া ব্রিফিংয়ে কমিশনের সহকারী পরিচালক মো. তানজীর আহমেদ এই তথ্য নিশ্চিত করেন। দুদকের অনুসন্ধান কর্মকর্তা সহকারী পরিচালক পিয়াস পালের দাখিলকৃত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা মনিরুলের নামে ১ কোটি ৯৬ লাখ ৯৩ হাজার ৪৯৫ টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ পাওয়া গেছে। বিভিন্ন ব্যয়সহ তার অর্জিত সম্পদের মোট পরিমাণ ২ কোটি ৭৭ লাখ ৭১ হাজার ৬২৩ টাকা এবং গ্রহণযোগ্য আয় পাওয়া যায় ২ কোটি ১ লাখ ৯১ হাজার ৯৮০ টাকা। অনুসন্ধানে তার অর্জিত সম্পদ ও ব্যয়ের সঙ্গে গ্রহণযোগ্য আয়ের বড় ধরনের অসঙ্গতি পাওয়া গেছে।
অন্যদিকে, তার স্ত্রী জাকিয়া পারভীনের নামে ৩৮ লাখ ৮ হাজার ৫০০ টাকার মোট সম্পদ এবং বিভিন্ন ব্যয়সহ মোট পরিমাণ দাঁড়ায় ৪৭ লাখ ২৬ হাজার টাকা। এর বিপরীতে তার গ্রহণযোগ্য আয় পাওয়া গেছে মাত্র ১২ লাখ ৮০ হাজার টাকা এবং স্বামীর সহায়তায় এসব সম্পদ অর্জনের তথ্য উঠে এসেছে। সংগৃহীত রেকর্ডপত্র পর্যালোচনার পর দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(১) ধারায় তাদের বিরুদ্ধে এই আদেশ জারি করা হয়।
নথি অনুযায়ী মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বর্তমানে পিআরএল ভোগরত অবস্থায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দায়িত্ব পালন করছেন। আইন অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তাদের এই পৃথক সম্পদ বিবরণী কমিশনে দাখিল করতে হবে।