বন্ধ করুন
কষ্টের কথা শুনে সাত দিনেই চাকরি দিলেন প্রধানমন্ত্রী
ডিজাইন:
100%
ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ
দৈনিক পত্রিকা


দৈনিক পত্রিকা ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ

ইপেপার সংস্করণ ১৫ অক্টোবর ২০২৬ দৈনিক পত্রিকা

Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ


কষ্টের কথা শুনে সাত দিনেই চাকরি দিলেন প্রধানমন্ত্রী


মহাকল্লোল নিউজ ডেস্ক
মহাকল্লোল নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ প্রিন্ট:
কষ্টের কথা শুনে সাত দিনেই চাকরি দিলেন প্রধানমন্ত্রী
কষ্টের কথা শুনে সাত দিনেই চাকরি দিলেন প্রধানমন্ত্রী
Featured Image

চোখে আলো না থাকলেও মনের জোর ও অদম্য ইচ্ছেশক্তির জোরে সব বাধা জয় করেছেন নওগাঁর শাকিল হোসেন। আজন্ম দৃষ্টিহীন এই তরুণ সব প্রতিকূলতা পেরিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি কৃষিবিষয়ক প্রকল্পে সেকশন অফিসার পদে চাকরি পেয়েছেন। মঙ্গলবার রাতে ঢাকার গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক ও শিল্প মন্ত্রণালয়বিষয়ক উপদেষ্টা এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ফরিদুল ইসলামের হাত থেকে নিয়োগপত্র গ্রহণ করেন তিনি।

নওগাঁ সদর উপজেলার বক্তারপুর ইউনিয়নের হরিহরপুর গ্রামের সাধারণ পরিবারের সন্তান শাকিলের শৈশব থেকেই লড়াইটা ছিল অবিরত। মুরাদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বদলগাছীর বালুভরা উচ্চবিদ্যালয় এবং বদলগাছী সরকারি কলেজ পেরিয়ে তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান বিভাগ থেকে সফলভাবে অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করেন। এই দীর্ঘ চলার পথে ছোট ভাই সাব্বির এবং বন্ধু গৌতম নিয়মিত শ্রুতিলেখক হিসেবে তার পড়াশোনায় সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছেন।

পড়াশোনা শেষ করে কর্মসংস্থানের সন্ধানে নামলেও যোগ্যতা থাকার পরও তাকে নির্মম বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হয়। বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষার লিখিত ধাপে উত্তীর্ণ হলেও ভাইভা বোর্ডে পৌঁছানোর পর কেবল দৃষ্টিপ্রতিবন্ধকতার কারণে তাকে বারবার ফিরিয়ে দেওয়া হয়। চরম হতাশার এই সময়ে তিনি তার জীবনের দীর্ঘ সংগ্রাম ও মেধার গল্পটি তুলে ধরেন নওগাঁ-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য জাহিদুল ইসলামের কাছে। এরপর এই সংসদ সদস্য মেধাবী তরুণ শাকিলকে নিয়ে যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে।

নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে আবেগাপ্লুত কণ্ঠে শাকিল বলেন, নবম গ্রেডের একটা চাকরি পাওয়া আমার কাছে কল্পনার চেয়েও বড় ব্যাপার। আমার মতো একজন মানুষের জন্য এটি অনেক বড় একটি পাওয়া। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং নওগাঁ সদর আসনের সংসদ সদস্য জাহিদুল ইসলাম আমার পাশে না দাঁড়ালে আজ আমার এই স্বপ্ন কখনোই বাস্তব হতো না। আমি তাদের প্রতি চিরকৃতজ্ঞ।

নওগাঁ-৫ সদর আসনের সংসদ সদস্য জাহিদুল ইসলাম বলেন, জনপ্রতিনিধি হিসেবে মানুষের পাশে দাঁড়ানোই আমাদের মূল দায়িত্ব। শাকিলের মেধা ও যোগ্যতার পূর্ণ মূল্যায়ন করতে চেয়েছি আমি। তাই তাকে সরাসরি আমাদের মানবিক প্রধানমন্ত্রীর কাছে নিয়ে গিয়েছিলাম। মাত্র সাতদিনের মধ্যে একটি সংগ্রামী ছেলের জীবনের এমন সুন্দর পরিবর্তন দেখে আমি অত্যন্ত আনন্দিত।