নারীর পরিচয় কেবল কন্যা, মা কিংবা স্ত্রীর মধ্যে সীমাবদ্ধ না রাখার আহ্বান জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ঢাকার গুলশানের লেকশোর হোটেলে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধি এবং স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।
কোয়ালিশন ফর অ্যাডভান্সিং ইকুয়ালিটি অ্যান্ড জাস্টিস— ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স, জাগো ফাউন্ডেশন, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন, অক্সফাম, প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল, সেভ দ্য চিলড্রেন এবং ওয়াটারএইড এই সাতটি সংস্থার সমন্বয়ে গঠিত। প্ল্যাটফর্মটির আয়োজনে ‘অঙ্গীকার থেকে বাস্তবায়ন: নারী ও শিশুর অধিকার সুরক্ষায় সরকারের ১৮০ দিন’ শীর্ষক এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। লেখক ও উন্নয়নকর্মী নিশাত সুলতানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ, আন্না মিনজ, নুসরাত তাবাসসুম জ্যোতি ও সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. নাজনীন আহমেদ।
প্রাথমিক শিক্ষা প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন যে সরকারের মূল লক্ষ্য হলো সব শিশুর কাছে মানসম্মত শিক্ষা যথাযথভাবে পৌঁছে দেওয়া। এ জন্য সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বেসরকারি ও পর্যায়ক্রমে মাদ্রাসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকেও কার্যকর সরকারি মনিটরিংয়ের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। হাওরসহ প্রান্তিক ও দুর্গম এলাকার শিশুদের জন্য অবকাঠামো, শিক্ষক উপস্থিতি, আবাসন ও শিক্ষা কার্যক্রমের বিশেষ চাহিদা বিবেচনায় পৃথকভাবে কাজ করা হচ্ছে।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কিশোরীদের স্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতা নিয়েও সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন ববি হাজ্জাজ। তিনি বলেন যে কিছু বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে বিদ্যালয়ে প্রয়োজনীয় স্যানিটারি সামগ্রী বিনামূল্যে সরবরাহ করা হচ্ছে। এছাড়া এ বিষয়ে শিক্ষার্থীদের সচেতন করার লক্ষ্যে একটি পাইলট উদ্যোগ নিয়ে বর্তমানে কাজ চলছে।