বন্ধ করুন
প্রেমিকের হাতে খুন ডলি, ট্রলি ব্যাগে মিলল খণ্ডিত লাশ
ডিজাইন:
100%
ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ
দৈনিক পত্রিকা


দৈনিক পত্রিকা ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ

ইপেপার সংস্করণ ১৫ অক্টোবর ২০২৬ দৈনিক পত্রিকা

Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ


প্রেমিকের হাতে খুন ডলি, ট্রলি ব্যাগে মিলল খণ্ডিত লাশ


মহাকল্লোল নিউজ ডেস্ক
মহাকল্লোল নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ প্রিন্ট:
প্রেমিকের হাতে খুন ডলি, ট্রলি ব্যাগে মিলল খণ্ডিত লাশ
প্রেমিকের হাতে খুন ডলি, ট্রলি ব্যাগে মিলল খণ্ডিত লাশ
Featured Image

গাজীপুরে মহাসড়কের পাশের খাল থেকে উদ্ধার হওয়া অর্ধগলিত ও খণ্ডিত নারীর পরিচয় শনাক্ত করেছে পিবিআই। প্রেমের সম্পর্কের পর বিয়ের চাপ দেওয়ায় ওই নারীকে শ্বাসরোধে হত্যার পর লাশ কেটে দুই টুকরো করা হয়। এ ঘটনায় নারীর প্রেমিকসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তারা রোববার আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। সোমবার নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান গাজীপুর জেলা পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার মো. রকিবুল আক্তার।

পুলিশ জানায়, নিহত ডলি আক্তার ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছা থানার পাহাড়পাবিজান গ্রামের বাদশা মিয়ার মেয়ে এবং স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর তিনি গাজীপুরের বানিয়ারচালায় ভাড়া থাকতেন। জয়দেবপুর থানার বানিয়ারচালা এলাকায় ভাড়ায় থেকে পোশাক কারখানায় চাকরি করার সুবাদে মিশন ইসলামের সঙ্গে তার পাঁচ বছরের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত ৮ সেপ্টেম্বর রাতে মিশনের বাসায় যান ডলি এবং মিশন, তার মা ও ডলি একসঙ্গে রাতের খাবার খান। পরে বিয়ের সিদ্ধান্ত ও আগের বিভিন্ন বিরোধ নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে মিশন ডলিকে হত্যার পরিকল্পনা করেন।

পিবিআই বলছে, ঘুমের ওষুধ খাইয়ে বালিশ চাপা দিয়ে ডলিকে হত্যা করে মিশন এবং লাশ খাটের নিচে রেখে দেয়। পরদিন সকালে ঘর পরিষ্কার করতে এসে বানু আক্তার লাশ দেখতে পান এবং লাশ গুম করতে বাজার থেকে স্যুটকেস কিনে আনা হয়। পুরো দেহ স্যুটকেসে না ধরায় বটি ও ব্লেড দিয়ে লাশ কোমর থেকে দুই টুকরো করে স্যুটকেস ও প্লাস্টিকের বস্তায় ভরা হয়। পরে বাসা বদলের কথা বলে মিশন তার বন্ধু মিল্টনকে ডেকে আনেন এবং সুটকেস ও বস্তায় ভরা লাশ অটোরিকশায় করে ভবানীপুর ব্রিজে নিয়ে খালে ফেলে দেওয়া হয়।

তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় প্রথমে মিশনকে এবং পরে বাকি দুজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ এবং তাদের দেওয়া তথ্যমতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত বটি, ধারালো ব্লেড, স্কচটেপ এবং ভিকটিমের এনআইডি কার্ড ও মোবাইল উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহত ডলির বড় ভাই সোহেল বাদী হয়ে জয়দেবপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। গ্রেপ্তার তিনজন হলেন মিশন ইসলাম, তার মা বানু আক্তার এবং মিজানুর রহমান মিল্টন, যাদের গাজীপুর মহানগরীর বিভিন্ন এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। শুক্রবার বিকালে সদর উপজেলার ভবানীপুর এলাকা থেকে অজ্ঞাত এক নারীর এই লাশ উদ্ধার করেছিল পুলিশ।