বন্ধ করুন
আ.জ.ম. নাছিরের বিরুদ্ধে দুদকের ১৩ কোটি টাকার মামলা
ডিজাইন:
100%
ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ
দৈনিক পত্রিকা


দৈনিক পত্রিকা ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ইপেপার সংস্করণ
Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ

ইপেপার সংস্করণ ১৫ অক্টোবর ২০২৬ দৈনিক পত্রিকা

Mahakallol News | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ


আ.জ.ম. নাছিরের বিরুদ্ধে দুদকের ১৩ কোটি টাকার মামলা


মহাকল্লোল নিউজ ডেস্ক
মহাকল্লোল নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ প্রিন্ট:
আ.জ.ম. নাছিরের বিরুদ্ধে দুদকের ১৩ কোটি টাকার মামলা
আ.জ.ম. নাছিরের বিরুদ্ধে দুদকের ১৩ কোটি টাকার মামলা
Featured Image

ঢাকা, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ (বাসস) : চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র আ.জ.ম. নাছির উদ্দীনের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত ১৩ কোটি ৯৯ লাখ ৪১ হাজার ৫৭০ টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ দুদক প্রধান কার্যালয়ে জনসংযোগ বিভাগের সহকারী পরিচালক মো. তানজির আহমেদ এ তথ্য জানিয়েছেন। দুদক জানায়, আ.জ.ম. নাছির উদ্দীনের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, আয়কর ফাঁকি ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে অনুসন্ধান করা হয়।

অনুসন্ধানকালে প্রাপ্ত রেকর্ডপত্র পর্যালোচনা করে তার নামে বিপুল পরিমাণ স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ ও দায়-দেনার তথ্য পাওয়া যায়। দুদক জানায়, ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত আ.জ.ম. নাছির উদ্দীনের ২ কোটি ৩০ লাখ ১৮ হাজার ৯১০ টাকার স্থাবর এবং ২৬ কোটি ৩৮ লাখ ১ হাজার ২৮৫ টাকার অস্থাবর সম্পদ রয়েছে। একই সময়ে তার ৬ কোটি ১৮ লাখ ৯৭ হাজার ৮ টাকার দায়-দেনার তথ্য পাওয়া যায় এবং দায়-দেনা বাদ দিয়ে নিট সম্পদের মূল্য দাঁড়ায় ২২ কোটি ৪৯ লাখ ২৩ হাজার ১৮৭ টাকা।

এছাড়া তিনি পারিবারিক ও অন্যান্য খাতে ১৮ কোটি ১২ লাখ ৫৫ হাজার ৬৪৮ টাকা ব্যয় করেছেন, ফলে ৩০ জুন ২০২৪ পর্যন্ত তার মোট অর্জিত সম্পদের মূল্য দাঁড়ায় ৪০ কোটি ৬১ লাখ ৭৮ হাজার ৮৩৫ টাকা। বিপরীতে, অনুসন্ধানে তার গ্রহণযোগ্য আয়ের পরিমাণ পাওয়া যায় ২৬ কোটি ৬২ লাখ ৩৭ হাজার ২৬৫ টাকা এবং এর ফলে তার জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ১৩ কোটি ৯৯ লাখ ৪১ হাজার ৫৭০ টাকা।

দুদক জানায়, আ.জ.ম. নাছির উদ্দীন দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে অসাধু উপায়ে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ এসব সম্পদ অর্জন করে ভোগদখলে রেখেছেন। প্রাপ্ত এসব অভিযোগে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।