শুরুর গল্পটা বেশ আগের, তবে এর ব্যাপ্তি ছড়িয়ে পড়ে নোটিসিয়াস বাংলার এক উৎসবমুখর সন্ধ্যায়। তিল ধারণের ঠাঁই না থাকা সেই অনুষ্ঠানে লিসবনে বসবাসরত গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ থেকে শুরু করে সাহিত্য ও সংস্কৃতির নানা মানুষের সরব উপস্থিতি ছিল। আর সেই আয়োজনের অন্যতম আকর্ষণের বিষয় হয়ে ওঠে একটি সুস্বাদু কেক, যা নিয়ে এসেছিলেন দিদারুল ইসলাম ও মাসুদুর রহমান।
লিসবনে অনেক বাংলাদেশিই কেক বানান, কেউ শখে, কেউ পরিবারের জন্য, কেউ ব্যবস্যার উদেশ্যে কিংবা কেউ সৃজনশীলতার বিকাশ ঘটাতে কেউবা নব উৎকর্ষতার প্রকাশ করতে। ফেসবুক পেইজ বা উদ্যোগের অভাব নেই, তবে আলাদাভাবে নজর কেড়েছে নভোমিলস বাই মুক্তা। নভোমিলস বাই মুক্তার মুক্তা পারভিন কুমিল্লার মানুষ এবং তার কেকের প্রধান দিক হলো প্রতিটি কেকের কাস্টমাইজড ডিজাইন ও স্বাদ।
জন্মদিন, বিয়েবার্ষিকী, কিংবা বর্ষপূর্তিসহ যে কোনো বিশেষ উৎসবে গ্রাহকের পছন্দ ও রুচি অনুযায়ী একদম নিজস্ব ভাবনায় কেক তৈরি করেন মুক্তা। ডিজাইনিং, চমৎকার আকৃতি, এবং সূক্ষ্ম ফন্ড্যান্টের কাজে তিনি কেকে ফুটিয়ে তুলতে পারেন অসাধারণ মুন্সিয়ানা। স্বাদের ক্ষেত্রেও নভোমিলস বাই মুক্তার রয়েছে নিজস্বতা ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশে তাজা উপকরণ দিয়ে প্রতিটি কেক তৈরি করা হয়।
চকোলেট ট্রাফলের গাঢ় ও সমৃদ্ধ স্বাদ থেকে শুরু করে ভ্যানিলা, ভেলভেট, তাজা ফলের ফ্রুটি কেক কিংবা রেড ভেলভেটের সূক্ষ্ম ছোঁয়া প্রতিটি কেকের টুকরাতে থাকে মজাদার স্বাদ। অতিরিক্ত মিষ্টি না হয়ে কেকের প্রতিটি স্তরে স্বাদের যে চমৎকার ভারসাম্য থাকতে পারে তা মুক্তার নিপুন কাজে বোঝা যায়। লিসবনে যে কোন শুভ উপলক্ষ উদযাপনে অনেকেরই তাই দিন দিন প্রথম পছন্দ হয়ে ওঠছে নভোমিলস বাই মুক্তা।